সরকারী সুবিধা বঞ্চিত প্রতিবন্ধী কন্যা জান্নাতী

278
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা

অতিদরিদ্র পরিবারের শিশুকন্যাজান্নাতি আক্তার। বয়স সবেমাত্র ৫ বছর। জন্মলগ্ন থেকেই জান্নাতিরদু’পা অতি চিকন, তেড়াবাঁকা ও দুর্বল। নিজের পায়ে ভর দিয়ে চলতেপারেনা জান্নাতি খাতুন। অর্থাৎ যাকে বলা হয় শারিরীক প্রতিবন্ধী।তার পিতা হেলাল মিয়া। বসতভিটা ব্যতিত কোনো জায়গা জমি নেই।তিনি পেশায় একজন ভ্যান চালক। মাতা পারভীন বেগম। প্রতিবন্ধী
জান্নাতির চিকিৎসা সেবার অর্থ যোগানের জন্য অন্যের বাড়িতেঝি’র কাজ করেন পারভিন। এ পরিবারের বাড়ি গাইবান্ধা জেলাধীন
সাদুল্যাপুর উপজেলার অর্ন্তগত ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়াগ্রামে। নানা অভাব অনটনে দিন কাটে হেলাল মিয়ার। এর মধ্যে দিয়েপ্রতিবন্ধী শিশুকন্যা জান্নাতিকে সুস্থ করতে বিভিন্ন ভাবেচিকিৎসা অব্যহত রেখেছেন।
ইতোমধ্যে চিকিৎসা বাবদ প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করা হয়েছে।তবে কিছুতেই উন্নতি হচ্ছে না জান্নাতির। ইদানিং জান্নাতিরশরিরে নানা রোগে বাসাবেঁধেছে। দিন দিন অবস্থার অবনতি ঘটছেজান্নাতির।সম্প্রতি চরম বেকায়দায় পড়েছে দরিদ্র পরিবারটি। চোখে যেনো
শষ্যফুল দেখতে শুরু করেছে। একদিকে পেটের ভাত যোগান, অন্যদিকেজান্নাতির চিকিৎসার খরচ যোগানে ব্যর্থ হয়ে পড়েছে হেলাল মিয়া ওপারভীন বেগম। অদ্যবধিও প্রতিবন্ধী জান্নাতির খোঁজ রাখেনা কেউ।যেন সমাজের বোঝা হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। প্রতিবন্ধী
শিশুদের চিকিৎসা ও পূণর্বাসনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগেরনানা কর্মসূচী থাকলেও শিশুকন্যা জান্নাতি খাতুন সেইসব
সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।এদিকে হেলাল মিয়ার অভিযোগ, প্রতিবন্ধী কন্যা জান্নাতি খাতুনেরজন্য একটি হুইল চেয়ার ও ভাতা সুবিধা পাওয়ার জন্য স্থানীয়জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের নিকট দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো ফল পাওয়াযায়নি। আজও তার ভাগ্যে জুটেনি হুইল চেয়ার কিংবা প্রতিবন্ধীভাতাকার্ড। সরকারের এ সুবিধা আদৌ পাবো কী এটাই এখন হেলাল
মিয়া ও পারভীন বেগমের প্রশ্ন। তবে সরকারের নানা সুবিধা পেতেআঁকুতি জানিয়েছেন তারা।