২য় “খামোশ” এবং নির্দলিয় নির্বাচন প্রসঙ্গ এখন থেকে অপ্রাসঙ্গিক-ডেভীড সরকার

84
ডঃ কামাল হোসেন, অনেক পুরনো নাম, হাতে গোনা যে’কজন আমাদের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ এলে বলতে পারেন, “আমি সেদিন সেখানে ছিলাম”, তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন ডঃ কামাল হোসেন । নিকটিয়তা, গোপনীয়তা, বিচক্ষনতা এবং দুরদর্শিতা সবই ডঃ কামাল হোসেন সমান তালে ব্যবহার করেছেন । সাধারন কোন সরল রেখায় স্বাধীনতা সমাধান হয়নি । আজকে যারা যখন তখন তর্ক জুড়ে দেন এবং সরল সমীকরনে সামিল হন । আমার বিশ্বাস তাঁদের অনেকেই, বর্তমানে স্বাধীনতা সংগ্রামের-আন্দলনের মধ্যদিয়ে দিন যাপনে আছেন ঐ কেতালনিয়ানদের খোজ খবর রাখেন না । তালনিয়ানদের ধাপ পদক্ষেপ কর্মসূচী খেয়াল করলে, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সার্থকতার একটা জলছবি পাওয়া যাবে । সত্য সত্যিই বোঝা যাবে, আমাদের স্বাধীনতা হটাৎ পাওয়া ফসল নয়, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কত বিচক্ষনতায়  সাহসিকতায় প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়ে লক্ষ্যে পৌছেছিলেন এবং সেখানে ডঃ কামাল হোসেন ছিলেন । যারা এর বিপরীতে অবতারনা করেন তাঁদের জন্যে কবি আব্দুল হাকিমের ঐ এক লাইনই যথেষ্ট ।     
 
ডঃ কামাল হোসেন জাতীর পিতার আস্থাবান বিশ্বাস ভাজন ছিলেন । এই বিশ্বাস হস্তান্তর হয়না, অর্জন করতে হয় । তবে মক্কেল – উকিল সম্পর্কের প্রথম ধাপ, সেটা থেকেই যায় সত্য কিন্তু এ দুজনের ক্ষেত্রে তাঁরা সে সীমানা ডিঙ্গিয়ে ছিলেন । এ ব্যাপারে বেশি দায়িত্ব বর্তায় ডঃ কামাল হোসেন উপর এবং তিনি তা যথার্থ রুপে সম্পাদন করেছিলেন কিনা তাতে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতামত থাকতে পারে তবে এ প্রসঙ্গকে প্রাধান্য দেয়া এখন আর প্রাসঙ্গিক নয় । কারন ডঃ কামাল হোসেন যখন বলেন, “আমি সেদিন সেখানে ছিলাম”, সেটাই পূর্নাঙ্গ সত্য । এখন গবেষনা তর্জমা ইতিবাচক আর কাদা ছোড়াছুড়ি নেতিবাচক সময়ের সুড়-সুড়ি মাত্র ।
 
আমার খুঁটিনাটি যতটুকু মনে পড়ে তাই আমার রসদ । আমি চেষ্টা করেছি, আমার মত করে বর্তমানের সাথে অতীতের ডঃ কামাল হোসেনকে প্রেক্ষাগৃহ পুর্ন ছবিতে সন্নিবেসিত করতে । আমার শুরু তখনকার দিনের গভর্নর আজম খান এবং ভুট্টোকে দিয়ে । কাগজে হেড লাইন থাকুক আর না থাকুক রাজধানীর চেনাজানা নাম গুলো উৎসাহ নিয়ে পড়ে নিতাম । ৬৫ যুদ্ধের আগে পরে ভুট্টো ছুটিতে ছিলেন । তখন তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রী । তারপর আইয়ুবের মন্ত্রক পদ ছেড়ে দেন । এ প্রসঙ্গে মানিক মিয়াকে চিনলাম । মানিক মিয়া বললেন, “চেষ্টা করবো তাঁকে রাজি করাতে” । ঐ “তাঁকে” ছিলেন শেখ মুজিব, বঙ্গবন্ধু, শ্রেষ্ট বাঙ্গালী, আপামর মেহনতি মানুষের বজ্রকন্ঠ জাতির পিতা শেখ মুজিবর রহমান । প্রথম দিনই কানে এল ছ’দফা । চারিদিকে ‘আমার-আমাদের’ বলিষ্ঠ গগনভেদী উচ্চারন । তারপর আমার জানার জোয়ারে ভাটা আসেনি । দিনের পর দিন অধ্যায় যেমন বড় হচ্ছে তেমন কৌতুহল বাড়ছে আর এ অধ্যায় কেমন যেন আপন থেকে আপনতর হয়েছে । পরে আত্মায় ও রক্তে মিশে এক অহঙ্কারের রুপ নিয়েছে ।
 
কাগজ থেকে চিনে নিলাম বিশ্ববিদ্যালয়, বার কাউন্সিল, ছ’দফা, ইত্তেফাক, আগরতলা সহ সব বড় বড় বিষয়ের সঙ্গে জড়ানো এক নাম করা উকিল-ব্যরিষ্টার । তাঁর নাম কামাল হোসেন, ডঃ কামাল হোসেন । ব্যারিস্টার । বিলাত পাশ । তিনি তাঁর প্রিয় পাত্র । তারপর অহরহ ডঃ কামাল হোসেনের নাম খবরের কাগজে । পাকিস্তানিদের সাথে যত সভা-সমিতি, তাতে ডঃ কামাল হোসেন । এবার তিনি বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া আসন থেকে ভোটে দাড়াবেন । এই তাঁর প্রথম ভোটে দাঁড়ানো, তাও আবার বঙ্গবন্ধুর আসন । সবাই ভোট দিয়ে তাঁকে সাংসদ করে নিলেন ।
 
অনেক পরে অবশ্য এক লেখায় পড়েছিলাম, ‘৬৮ থেকে ‘৭০ এর মধ্যে অনেক ডান পন্থী, সম্রাজ্যবাদী-পূজিবাদী-মার্কিনি চিন্তা ধ্যান ধারনা পুষ্ট লোকজন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন এবং যাদের নিয়ে লেখক বিশ্লেষন তৈরি করেছিলেন সে নাম গুলোর মধ্যে ডঃ কামাল হোসেনের নামও ছিলো । মুক্তিযুদ্ধ শুরু হল । বিজয় এল । আবার শুনলাম কামাল হোসেনের নাম । এক বৈদ্যুতিক পূলক অনুভব করলাম । বিভিন্ন জনের লেখা লেখিতে পড়েছি ইতিবাচক-নেতিবাচক বিষয়াদি । আমার ভাবনা আছে তাঁকে নিয়ে । তিনি প্রথমে উকিল, পরে রাজনীতির ভেতরের মানুষ, এবং তারও পরে আবার তিনি উকিল । মক্কেল তৈরি করা যেমন তাঁর কাজ তেমন জটিলতা পাশ কাটিয়ে জিইয়ে রাখা সেবাদান করাও তাঁর কাজ । হয়তো খুব হালকা হল । না, আমি বিশ্বাস করিনা যে এটি ডঃ কামাল হোসেনের বেলায় প্রযোজ্য । তিনি সবার সঙ্গে একজন দেশ প্রেমিক ।
 
তিনি যখন তাঁর সহকর্মি আমীরুল-উল-ইসলামের সঙ্গে ৩২ নাম্বার থেকে বেড়িয়ে তাজউদ্দিন সাহেবের বাসা হয়ে সীমান্তের পথে যাত্রা করলেন তখন তিনি যে ভাবে চিন্তা পরিবর্তন করে পাকিস্তানে পৌছে গেলেন তখন আমি তাঁকে তাঁর ত্বরিৎ সিদ্ধান্ত-দুরদৃষ্টির জন্যে বাহবা দিতে চাই । তিনি বুঝেছিলেন কোন ক্ষেত্রে তিনি অবদান রাখতে পারবেন । সময় ধ্রুত না এলেও যে আসবে তা তিনি বিশ্বাস করেছিলেন । জাতির পিতার কারাগার থেকে মুক্ত হতে যতটুকুনু না তাঁকে প্রয়োজন ছিল তাঁর থেকে বেশি সময় উপযোগী প্রয়োজন ছিল মুক্তির পরে ডঃ কামাল হোসেনের মত একজন জাতির পিতার পাশে থাকবেন । তারপর ৭৫ তাঁকে নিস্ক্রিয় করেছে ? না । তিনি অনুধাবন করেছিলেন আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা । পট পরিবর্তনের আগে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের দাম্ভিক উচ্চারন আমাদের সবার জানা, ডঃ কামাল হোসেনকে তিনি তাঁর অনুগত ছাত্র ডেকে ছিলেন । তিনি দূরে ছিলেন কিন্তু বাইরে ছিলেন না । এটি তাঁর সতর্ক দৃষ্টির ফলশ্রুতি । পরে আওয়ামী বর্ধিত সভায় যখন তীর ভাঙ্গা হতাশা তখন তিনিই উঠে গিয়ে বর্তমান সভানেতৃ শেখ হাসিনার পথ সরল করেন । এখানে ডঃ কামাল হোসেন একজন অনুগত বিশ্বস্ত দেশপ্রেমিক আওয়ামী কর্মি ।
 
তারপর তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন সভাপতি মন্ডলীর সদস্য থেকে সাক্ষর রাখতে । কিন্তু নতুন সহকর্মি বেষ্টিত নতুন অধ্যায়ে পুরাতন রাজনীতি নতুন ভাবে রপ্ত হওয়ার আগেই ডঃ কামাল হোসেন ছিটকে পড়েন । কারন ঐ নতুন সভানেতৃর পথ প্রস্তুতিতে ডঃ কামাল হোসেন অনেকের বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে দিয়েছিলেন । তাঁকে দিয়ে যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন করানো হয়েছিলো সেটি ছিল তাঁকে দিয়ে মাটি ও মাঠ পরীক্ষা করার নির্বাচন । ফলশ্রুতিতে তাঁর বিদায় । বর্ধিত সভার ঐ বিদায়ী বৈঠকে ডঃ কামাল হোসেন প্রথম উচ্চারন করেন “খামোশ” শব্দটি । এটি তাঁর প্রথম খামোশ । সেদিন যারা তাঁর বিপরীতে দাড়িয়েছিলেন, এখন তাঁদের অনেকেই নেই, আবার অনেকেই এখন সংসার সংস্কারে ব্যাস্ত ।
 
সেইযে ডঃ কামাল হোসেনের পরিবর্তিত জীবন শুরু হল তা এখনও চলছে । এখানে তাঁর আবেগ আছে, ক্রোধ স্প্রিহা আছে, অভিলাষ আছে । আমার মনে আছে তাঁকে জ্বালানি বিষয়ক দোষারোপ করা হয়ে ছিলো । তাঁকে এখনও অনেক জটিল-সাধারন বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় । এটাতো তিনি জানেন তাঁর সাধনার ফসল কি এবং কোথায় তা নিরাপদ । প্রথম জীবনে তিনি কোন কাতারে ছিলেন তা তাঁর জীবন আলোচনায়ই উঠে আসে । আসলে আমরাই তাঁকে প্রাসাদ কুশীলব বানিয়েছি । আমি তাঁকে বহুবার দেখেছি ফাইল খাতা পত্র নিয়ে বিশ্ববেহায়া খেদাও আন্দোলনে সাধারনের সাথে মিশে আছেন । তাঁরই প্রনীত রূপরেখায় স্বৈরাচারী শাষনের অবসান এবং সংসদিয় শাষনে ফিরে আসা ।
 
যারা আদর্শের পতাকা বাহক তাঁরা যদি লেবাস পাল্টাতে পারেন তবে উকিল বারিষ্টার তো অবশ্যই পারবেন । তাঁকে মাইনাস টু থিওরীর দিকে ঠেলে দেয়া হয় । সেই সুবাদেই বলি এবারে তাঁর পদক্ষেপ ছিল আরও জটিল । এটি ছিল মাইনাস ওয়ান পরিকল্পনা । কারন টু এর এক অলরেডি মাইনাস হয়ে গ্যাছেন । বাকি আছেন ওয়ান । তিনি হিসেব করেছিলেন একবার যদি মুক্তিযুদ্ধের সব বাঘা বাঘা বিশারদদের এককরে শ্রেনী তথা সামাজিক বুদ্ধিদ্বিপ্ত কর্মি সমন্বয়ে বৈজ্ঞানিক হুঙ্কার দিতে পারেন তাহলে তা যদি বজ্জ্রকন্ঠের মত নাও শোনায় তবুও মাইনাস ওয়ান হয়তো হয়েও যাবে । এব্যপারে আমার বিশ্বাসের হেতু আছে । বারিস্টার মইনূল হোসেন তাঁর সহযোগি ছিলেন । ডঃ জাফ্রুল্লাহের সাথে ব্যারিষ্টার মইনূল হোসেনের দুরালাপনিতে শব্দ সাক্ষ্য মেলে, তাঁরা এক উদ্দেশ্য নিয়ে ছাতা মেলেছিলেন এবং নাটকীয়তায় যা হয় কেউ কাউকে চেনেন না কেউ কাউকে সহায়তা করতে আসেন না সোজা কথা কেউ কারো নয় । মইনূল হোসেন ছিটকে গেলেন । যে হেতুর কথা তুলেছিলাম, তা ছ’দফার আগের কথা । পাঞ্জাবীরা যখন শলা-পরামর্শে ব্যাস্ত তখন এই মইনুল হোসেনের বাবাকে পাঞ্জাবীরা বুঝাতে বুঝাতে বলেছিলেন, “আরে, আগে আসুন আইয়ুবের কাছ থেকে ক্ষমতা নিয়ে নি, তারপর নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করতে অসুবিধা হবে না” । ঐ সেদিনের ফর্মুলাই কি ডঃ কামাল হোসেন এবং ব্যারিষ্টার মইনূল হোসেন আজকের দিনে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন ? আলামত তাই বলে ।
 
আলামত এও বলে, ডঃ কামাল হোসেনের পদক্ষেপ আওয়ামী লীগকে সবচেয়ে বেশি পাইয়ে দিয়েছে । সংলাপে বসা এক মিরাকল, হটাৎ করে সংলাপের আয়োজন, কাদের সাথে সংলাপ সেও এক এক মিরাকল । সব মিলিয়েই বলা চলে খুউব ভারী পর্দার অন্তরালে মিষ্টি মৃদু মন্দ হেমন্তের হাওয়া আমরা সবাই উপভোগ করেছি । সেখানেই কি মাইনাস ওয়ান জন্ম নিয়েছিলো ? যাহোক আমি আরও যা দেখেছি তা হল, তাঁর কর্মসূচী-কর্মপদ্ধতির-মাধ্যমে এবং তাঁর এই নাড়াচাড়া দেয়ার মাধ্যমে সাধারন মানুষের ভেতরে এক নতুন সচেনতা এসেছে এবং এতে আধুনিক চ্যানেল গুলো বেশ ভাল রকমের রসদ যুগিয়েছেন । এখানে ডঃ কামাল হোসেনের দ্বিতীয় খামোশ এক পথ্যের মত কাজ করেছে । প্রথমত তিনি একজন সাদামাটা চুপ-চাপ মানুষ, সজ্জন ব্যাক্তি । আমি মনে করি এটা কেউ অস্বিকার করবেন না । ডঃ কামাল হোসেন এমন এক শিবিরে গিয়ে আসন পেতেছিলেন যেখান থেকে তিনি নির্বাচনকে সাধারন্যে আলোচিত প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মর্যাদায় তুলে এনেছেন । তাঁর এই ভিন্ন শিবিরে যোগ দেয়া সাধারন্যে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে এবং ফলশ্রুতিতে সাধারন্যে “আমার ভোট আমি দেবো, নিজে বুঝে নিজে দেবো” সাধারন্যে বোধগম্য হয়েছে, সাধারন্যে সাহস এসেছে, সাধারন্যে উৎসাহ বাড়িয়েছে । আমি ডঃ কামাল হোসেনকে বাহবা দেই কারন ডঃ কামাল হোসেন নাম কলঙ্কিত হবে সে তোয়াক্কা ডঃ কামাল হোসেন করেননি । এটা ডঃ কামাল হোসেনের দেশপ্রেমের গভিরতা ।                 
    
খামোশ নামে এক বাংলা ছবি ঢাকায় বেশ চলেছিলো । ঐ ছবিতে খামোশ শব্দের সাথে যে হিংস্রতা ও ক্রোধ বিচ্ছুরিত হওয়ার দরকার তাইই হয়েছিল । ডঃ কামাল হোসেনের “প্রথম খামোশ” যে নিরুত্তাপ ছিলো তা বলতে পারবোনা কারন এই সময়ের মত অডিও ব্যাবস্থা ঐ সময়ে ছিলো না । কিন্তু ডঃ কামাল হোসেনের “দ্বিতিয় খামোশ” যে নিরুত্তাপ ছিলো তাঁর প্রমান তাঁর কথার স্বরেই বোঝা গ্যাছে । তিনি ঠিকই জানতেন, এ প্রসঙ্গ আসবে এবং তাঁর বিরোধী শিবির এ ব্যপারকে উস্কে দেবে । তাই হয়েছে, তিনি কেন ঐ আসন পেতেছিলেন তা কেউ ভাবতে চায়নি কিন্তু এমন বিষয়ের অবতারনা এমন ভাবে করা হয়েছে যে, তাঁকে যেন হেয় করা যায় । তিনি খামোশ বলার আগে বলেছিলেন, “এ বিষয় কেন তুলছো” “বেহুদা কথা বলছো” “শহীদ মিনারে রাজনীতি নয়” এই ধরনের কথা বলেছিলেন, এবং পরে তাঁর বিখ্যাত শব্দ ব্যাবহার করেছিলেন । যা হবার তাই হয়েছে, রাজনীতিতে যে দয়া-মায়া, সত্য-মিথ্যা নেই তা আবার প্রমান পেয়েছে । যে ভাবে ঐ শব্দ কে উপস্থাপন করা হয়েছে তা চতুর চাতুরিতা পুর্ন । পরিস্থিতি পরিপ্রেক্ষিত সমূলে পরিবর্তন করা হয়েছে ।
 
বোঝা গেলো, ডঃ কামাল হোসেন বিশেষজ্ঞ তো অবশ্যই কিন্তু মাঠের নোংরা রাজনীতি তাঁকে এখনও স্পর্শ করতে পারেনি । বোঝা গেলো তিনি বিশেষজ্ঞ বলেই একটা নির্বাচন সম্ভব হয়েছে । এখন দেখা যাক নির্বাচন ট্রাইবুনাল কত দূর নিয়ে যায় এবং জনগন যে স্তবক পেলেন “আমার ভোট আমি দেবো, আমি বুঝে আমি দেবো” কতদিন মনে রাখে । আমার বিশ্বাস এ স্তবক জনগন মনে রাখবে এবং এ দেশে আর নির্দলিয় সরকারের দরকার পড়বে না ।
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More