প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেয়া একটি ঘরের নির্মান কাজ দেড় বছরেও শেষ হয়নি

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি :বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগুম্বুজ ইউনিয়নের শ্রীঘাট গ্রামের হামিদ শেখের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের নামে ২০১৮-১৯অর্থ বছরে বরাদ্দ কৃত টি আর কাবিখা কর্মসুচীর আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাস গৃহ নির্মান প্রকল্পটি দেড় বছরে ও সমাপ্ত করেনি উক্ত প্রকল্পের পিআইসি ।
দেড় বছরে ও তার নামে বরাদ্দকৃত বাসগৃহটির নির্মান কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অসমাপ্ত ত্রানের ঘর সমাপ্ত করনের জন্য লিখিত আবেদন করেন ভুক্তভুগী আনোয়ারা বেগম।

ভুক্তভুগীর লিখিত আবেদন সূত্রে ও সরজমিনে অনুসদ্ধানে জানাগেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে টি আর,কাবিখা কর্মসূচীর আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাস গৃহ নির্মান প্রকল্পের একটি ঘর বরাদ্দ হয় উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের শ্রীঘাট গ্রামের হতদরিদ্র আঃ হামিদ শেখের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ওই অর্থ বছরেই আনোয়ারা বেগমের ঘরের কাজ শুরু করেন উক্ত প্রকল্পের পিআইসি ও ষাটগম্বুজ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ঘরের নকসা অনুযায়ী পাকা দেওয়াল ,পোলর পাকা, দেওয়ালে প্লাষ্টার ,এবং ঘরের চালের ফ্রেম ও দরজা,জানালার ফ্রেম বসালে ও দেড় বছরে ও উক্ত ঘরের টিন ছাওনি ও দরজা জালানা লাগাননি তিনি ফলে বৃষ্টির পানিতে ভিজে ঘরের চালের ফ্রেম ও দরজা,জানালার ফ্রেম নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে প্রায় এবং দেওয়ালে ও সেদলা পড়েছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভুগী আনোয়ারা বেগমের ছেলে মিরাজুর ইসলাম  বলেন চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের একটি ঘর দিয়েছিলেন কিন্তু দেড় বছরে ও ঘরের নির্মান কাজ শেষ হয়নি। এই প্রাকল্পের উপকার ভুগী আনোয়ারা বেগম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহারের ঘরে স্বামী সন্তান নিয়ে বসবাস করতে পারছেন না । এই হতদরিদ্র পরিবারটি বর্তমানে উপহার পাওয়া ঘরের পাশের্^ থাকা পুরানো ছাপড়া ঘরে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ষাষ্টগম্বুজ ইউপি সচিব মোঃ শওকত আলী  বলেন, এই প্রকল্পের পিআইসি চেয়ারম্যান সাহেব তার সাথে কথা বলুন।

এ বিষয়ে উক্ত প্রকল্পের পিআইসি ও ষাটগম্বুজ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর নিকট মুঠো ফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি  বলেন এ বিষয়ে আমি এখন কোন কথা বলব না ঈদের পর বলব বলে মোবাইলের সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।

এবিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাওয়া হলে তৎকালিন (২০১৮-১৯ অর্থ বছর) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমানের নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন উক্ত ব্যক্তির নামে ত্রানের ঘর বরাদ্দ হয়েছিল কিন্তু উক্ত প্রকল্পের বিল দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে বাগেরহাট সদর উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোছাব্বেরুল ইসলাম মহিলার আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে  বলেন, আমি (ইউএনও) আজ বুধবার দুফুরে মহিলার উপহার পাওয়া নির্মানাধীন বাড়িটি সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম । আমি তো ওই সময় দ্বায়িত্বে ছিলাম না, দ্রুত ঘরটির বাকি কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতেছি তবে এতদিন ঘরটির নির্মান কাজ সমাপ্ত না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে কারো কোন ত্রুটি পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন