গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মা ও ছেলের মৃত্যু

48
gb
2

আশরাফুল ইসলাম//
গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামে ধানের জমিতে কীটনাশক ঔষধ দেয়ার সময় বিদ্যুতের তারের সাথে জড়িয়ে কলেজ ছাত্র শ্রী উৎপল কুমার সরকার (১৮) ও তার মা সাধনা রানী (৫৪) ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক ভাবে প্রাণ হারায়।

স্থানীয়রা জানান, কলেজ ছাত্র উৎপল ৩ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী মনি মিয়ার ধানের জমিতে কীটনাশক ঔষধ দেয়ার সময় পাশবর্তী ইটভাটার পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তার জমিতে পরে ছিলো। অবৈধভাবে নেয়া বৈদ্যুতিক তারের সাথে জড়িয়ে ঘটনাস্থলে উৎপল এর মৃত্যু হয়। পরে সন্ধ্যায় উৎপলের মা সাধনা রানী ছেলেকে খুঁজতে গেলে দেখেন তার ছেলে বৈদ্যুতিক তারসহ জমিতে পড়ে আছে। সাধনা রানী ছেলেকে পড়ে থাকা দেখে তাকে উদ্ধার করতে গেলে সেও বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। ঘটনাটির পর থেকে হিন্দু পরিবারের বসবাসকৃত গ্রামটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। অন্যদিকে,গ্রামের কতিপয় প্রভাবশালীরা ঘটনাটিকে ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। সাদুল্যাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসএসবি বিকস্ এর সত্ত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম বাবলা গত প্রায় ৮ মাস আগে ইট ভাটাটি তড়িঘড়ি করে চালু করেন। পরে পাশবর্তী একটি প্রতিষ্টান থেকে জমির উপর দিয়ে বাঁশের খুঁটির সাহায্য বিদ্যুতের লাইন নেন তার ইটভাটায়। এনিয়ে স্থানীয় ও জমির মালিকগন বারবার অভিযোগ করলেও তিনি কোন কর্ণপাত করেননি। মা ও ছেলের করুণ মৃত্যুর পর থেকে ইট ভাটা মালিকসহ প্রতিষ্টানের কর্মচারিরা ঘা ঢাকা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন