বাংলাদেশের জনগন সকল সময় স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে : ন্যাপ মহাসচিব

50
gb

ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচারের জন্য অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠঅর পক্ষে বাংলাদেশের জনগন সকল সময় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

 

তিনি স্বাধীন ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের জনগনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সকল সময়ই  ফিলিস্তিনি ভাইদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি তাদের অবিচল দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে আসছে এবং এই সংহতি অব্যাহত থাকবে।

 

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) শাহজাহানপুরস্থ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে “আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিনি সংহতি দিবস” উপলক্ষে জাতীয় গণমুক্তি আন্দোলন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনকে বিভক্ত করে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের গৃহীত ‘ঐতিহাসিক’ প্রস্তাবের ৭২ বছর পূর্তির দিন আজ। ১৯৪৭ সালের এই দিনে জাতিসংঘের যে প্রস্তাব অনুসারে আজকের ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা, সেই একই প্রস্তাব অনুযায়ী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রেরও প্রতিষ্ঠার কথা। কিন্তু দীর্ঘ সাত দশক পরও অধরাই রয়ে গেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা।

 

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, ১৯৪৮-এ ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষিত হলে প্রতিবেশী চারটি আরব দেশ একযোগে ইসরায়েল আক্রমণ করে। যুদ্ধে আরবরা পরাজিত হয়। জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী নিজেদের জন্য বরাদ্দকৃত স্থানেরও বেশি মোট ৭৭ শতাংশ ভূমির ওপর আজ দখলদারি প্রতিষ্ঠা করেছে ইসরায়েল। আর আজ ৭২ বছর পরও অধরা স্বাধীন ফিলিস্তিনের স্বপ্ন।

 

তিনি আরো বলেন, কিংবদন্তি ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত যখন ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমি গড়ার সংগ্রামে লিপ্ত তখন সেই সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশি অনেক যুবক। তারা স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধে অংশ নেন। শাহাদাত বরণ করেন শতাধিক বাংলাদেশী।

 

তিনি বলেন, যে জাতি শাহাদতের মধ্যে গৌরব খুঁজে, তাদের কেউ থামাতে পারে না। তাদেরকে হত্যা করা যায়, বন্দী করা যায় কিন্তু স্বাধীনতার আকাশছোঁয়া স্বপ্ন থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। বায়তুল মোকাদ্দসকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

 

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব মো. আতিকুর রহমান, এহসানুল হক, মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু, সংগঠনের সমন্বয় কমিটির সদস্য আবদুল হালিম, আবু জাফর রেদোয়ানী, শ্রমিক নেতা আবদুল কাইয়ূম মাহমুদ, নারী নেত্রী আফরোজা বেগম, ইমরুল হাসান, যুব নেতা আবদুল হালিম মল্লিক প্রমুখ।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More