৭ নভেম্বর সিপাহী- জনতার মহৎ বিপ্লবী প্রচেষ্টা ——জাসদ।

61
gb

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি // ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানের মহা নায়ক কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম আর জিয়াউর রহমান ছিলেন বিশ্বাস ঘাতক ও ঠান্ডা মাথার খুনি । বৃহস্পতিবার (৭নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ঐতিহাসিক সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান স্মরণে জাসদ কক্সবাজার জেলা কর্তৃক আয়োজিত ও জেলা জাসদ সভাপতি নইমুল হক চৌধুরী টুটুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তরা একথা বলেন। বক্তারা আরও বলেন, জাসদ প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালন করে। কিছু দল ও লোক দিনটিকে সেনা কর্মকর্তা হত্যা দিবস, মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস, বিএনপির পক্ষ থেকে বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। কিন্তু, জাসদ এ দিনটিকে সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস হিসাবে মনে করে। প্রকৃত অর্থে এটা ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যাকাÐের খুনিদের বিরুদ্ধে, জাতীয় চার নেতার খুনিদের বিরুদ্ধে, সামরিক শাসনের রাজনীতির বিরুদ্ধে, কিছু সেনা কর্মকর্তার ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছার বিরুদ্ধে, সংবিধান লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার মহৎ বিপ্লবী প্রচেষ্টা। বক্তারা আরও বলেন- যারা সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে বিপ্লব ও সংহতি দিবস‌ বলেন, তারা কার্যত বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জিয়াউর রহমানের অপকর্ম দুঃশাসন এবং হত্যাকাÐের ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। ৭ই নভেম্বরের কর্নেল তাহের ও জিয়ার ভূমিকা উল্লেখ করে জাসদ নেতারা বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবী প্রচেষ্টার মহানায়ক ছিলেন কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম। আর এই বিপ্লবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাকারী জেনারেল জিয়াউর রহমান ছিলেন খলনায়ক। অভ্যুত্থানের পর তার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সিপাহী-জনতার রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যহত হয়। জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রক্তের হোলিখেলায় মেতে ওঠেন। কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে হত্যা করেন। অনেক সিপাহীকে গুলি করে হত্যা করেন। কিন্তু জেনারেল জিয়াউর রহমানেরও শেষরক্ষা হয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁডিয়েছে। জাসদের সুশাসনের সংগ্রাম ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের সংগ্রামে কর্নেল তাহেরের মতো সিপাহী- জনতার মতো বিপ্লবী-সাহসী কর্মী দরকার। জাসদ সেই বিপ্লবী কর্মী সরবরাহ করবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, শহর জাসদ সভাপতি মোঃ হোসাইন মাসু, সহ-সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় যুবজোট কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক অজিত কুমার দাশ হিমু, শহর জাসদ নেতা মোঃ আবু তৈয়ব, জাতীয় যুবজোট কক্সবাজার জেলা সহ- সভাপতি নুরুল আলম সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রতন দাশ, জাকের হোসেন, সদর যুবজোট সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমান উল্লাহ আমান, চকরিয়া উপজেলা যুবজোট সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী, যুবজোট নেতা মোঃ হাসান, সদর উপজেলা লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি আসাদুল হক আসাদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাখাওয়াত হোসেন সবুজ, শ্রমিক জোট সভাপতি আবদু জব্বার, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাশ, মোঃ কাইছার হামিদ প্রমুখ।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন