স্যারের আংশিক বক্তব্যে একটু দ্বিমত পোযন করেছি ‘প্রবাসীরাই সত্যিকারের দেশপ্রেমিক

91
নজরুল ইসলাম || জিবি নিউজ২৪ ||
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার আমার পরম শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিত্ব। দেশের বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে জাতীয়ভাবে বিশেষ অবদানসহ একজন সফল স্বার্থক শিক্ষক হিসেবেই সমাজে তিনি অধিক জনপ্রিয়। জীবন্ত কিংবদন্তীতুল্য মহান এই অধ্যাপক বাংলাদেশে প্রায় সকল মানুষের কাছে ‘স্যার’ নামে খ্যাত।
জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থানরত এই শিক্ষক বিভিন্ন সভা-সমাবেশে গিয়ে দেশ ও মানবতার পক্ষে সুধীবৃন্দও যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন। স্যারের ব্যক্তিত্ব মেধা চিন্তা ও ভাবপ্রকাশের ভিন্নতা তাকে দেশের অগণিত জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের মনের গভীরে স্থান করে দিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যেমে স্যারের একটা বক্তব্য শূনে কিছুটা confuse হযেছি। স্যার যা বলেছেন তা আমার কাছে এক্টু ঝাঁপসা লেগেছে, বোধগম্য হয়ে ওঠেনি। যা হয়ত আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণেই হতে পারে।
স্যার বলেছেন- যে সব বাংলাদেশি শ্রমিকরা বিদেশে থাকে তারা আমাদের দেশে রেমিট্যান্স পাঠায়, টাকা পাঠায়, তাদের কষ্ট-শ্রমে-ঘামে-রক্তে উপার্জন করা টাকা দেশে পাঠায়, সেই টাকা দিয়ে আমাদের বাইশ বিলিয়ন ডলার জমেছে। এর ফলে আমাদের শিরদাঁড়া কিছুটা শক্ত অবস্থায় আছে।
কিন্তু আমাদের প্রফেশনাল যারা বাইরে আছেন তারা কী পাঠায়? কয়জন পাঠায়? আমি তো মনে করি একজন শ্রমিকের ঋণ এই দেশের কাছে যতটা একজন প্রফেশনালের ঋণ তার থেকে বেশি না কম? অনেক বেশি। অনেক বেশি ঋণ। তারা এই দেশ থেকে সব নিয়েছে। গরিব মানুষের রক্ত– যে গরিব মানুষের ছেলেটা কোনোদিন কলেজে আসতে পারবে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারবে না– তার সেই হাড়ভাঙ্গা খাটনির উপার্জিত অর্থ দিয়ে সে এদেশে পড়াশুনা করে চলে গেছে।
স্যার বলেছেন ,ঋণ থাকলে তো তার ঋণ পরিশোধের একটা হৃদয় থাকা উচিৎ। তোমাকে এই দেশের জন্য কিছু না কিছু করতেই হবে। কিছু না কিছু তোমায় দিতেই হবে। তুমি যদি না দাও আমি মনে করি তারও শাস্তি হওয়া উচিৎ। আমি সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যে কথাবার্তা শুরু করেছি যে, যারা দেশের বাইরে আছে তাদের আর্নিং এর থ্রি পার্সেন্ট বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। এই থ্রি পার্সেন্ট সে দিয়ে দেবে না। এই থ্রি পার্সেন্ট হয় সে ইনভেস্ট করবে তারই জন্য। কিন্তু বাংলাদেশ ডলারটা পাবে। সে ইনভেস্ট করবে, না হলে সে কোনো আত্মীয়কে দেবে, স্বজনকে দেবে। না হলে কিছু একটা ভালো কাজের মধ্যে দেবে। এইটুকু হওয়া উচিৎ। আর তা না হলে, বাংলাদেশি পাসপোর্ট যদি থাকে সেটা ক্যানসেল করে দেওয়া উচিৎ এবং কোনোদিন যেন সে ভিসা না পায় বাংলাদেশের আসার সে ব্যবস্থা করতে হবে।
স্যার, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আপনার এমন পরামর্শ ও দিক নির্দেশনার সাথে একটু দ্বিমত পোষন করছি। প্রথমেই জেনে নেই প্রফেশনাল বলতে আমরা কাদের বুঝি -being professional might mean dressing smartly at work, or doing a good job for others, being professional means having advanced degrees or other certifications, framed and hung on the office wall. a person engaged or qualified in a profession.
স্যার, দেশে প্রফেশনালদের ইনভেস্ট করার জন্য আপনার পরামর্শ Instructions, logic direction হতে পারতো inspiring, কিন্তু প্রফেশনালদের ইনকামের ৩% (তিন পারসেন্ট) বাংলাদেশে পাঠাতে হবে বা ইনভেস্ট করতে হবে, না করলে তাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট যদি থাকে সেটা ক্যানসেল করে দেওয়া উচিৎ, এবং কোনোদিন সে যেন বাংলাদেশের আসার ভিসা না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। আপনার এমন বক্তব্য পরামর্শ Instructions প্রবাসীদের আহত করেছে।
স্যার, আপনার জ্ঞানের পরিধি বিশাল। আমিসহ আমরা অনেকেই আপনার ফলোয়ার। আপনি সকলের কাছে সমাধৃত। প্রায়-ই চোখে পড়ে দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা বিভিন্ন সময়ে প্রবাসীদের নিয়ে নানান আপত্তিকর ও অসম্মানজনক কথাবার্তা বলেন। ঐ দিন চোখে পড়েছে আপনার সাথে তাল মিলিয়ে অনেক তথাকথিত অকৃতজ্ঞ বুদ্ধিজীবী সুধীবৃন্দ তালি দিয়েছেন। আশ্চার্য হইনি, না বুঝে হাতে তালি দেওয়া, একমত পোষণ করা আমাদের পুরানো অভ্যাস।
স্যার, সদ্য শেষ হওয়া অর্থ বছরে প্রায় ১৫ বিলিয়ন এক হাজার ৫০০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা আগের বছরের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি। এই অঙ্ক বাংলাদেশের ইতিহাসে আসা এক অর্থবছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স।
ইহা কোনো ভাবেই অস্বীকার করা যাবে না যে, বছরের পর বছর আমাদের প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স বাংলাদেশে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশ অবদান রাখে প্রবাসীদের পাঠানো বিদেশি মুদ্রায়। বাংলাদেশ ব্যাংক অদ্য রেমিটেন্সের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায় ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রায় এক কোটি প্রবাসী এক হাজার ৪৯৮ কোটি (১৪.৯৮ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। এই অঙ্ক গত অর্থ বছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এক হাজার ২৭৭ কোটি (১২.৭৭ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
স্যার, বাংলাদেশে বসবাস করে মাঝে মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ করে বা সামাজিক মাধ্যমে প্রবাসীদের নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র দেখে প্রবাসীদের দেশপ্রেম উপলব্ধি অনেকটা কঠিন। প্রবাসীরাই সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। প্রথমত, দেশের অভ্যন্তরে যে সব শিক্ষিত প্রফেশনালরা আছেন তাদের দেশপ্রেমের, দায়িত্ববোধের ও নীতিনৈতিকতার একটি সঠিক পরিসংখ্যান নেওয়া প্রয়োজন। দেশের মধ্যে প্রফেশনালদের দেশপ্রেমে, চরিত্রে ও নীতি নৈতিকতা যে পরিমাণ অধঃপতন মরিচা ধরেছে তা নিয়ে প্রবাসীরা সত্যিই উদ্বিগ্ন। দুর্নীতি দমনের জন্য দেশে যে সংস্থাটি কাজ করেছে সে সংস্থার প্রধান দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত। দেশের সাধারণ জনসাধারণ বিশেষ করে শ্রমিক শ্রেণীর লোকজন অন্যায় অনিয়ম দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির সাথে তেমন সম্পৃক্ত নেই। প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে সম্পৃক্ত দেশের শিক্ষিত প্রফেশনালরা, যা দেশের জাতীয় খবরের কাগজের প্রধান শিরোনাম হয়েছে। দেশের একটি বিরাট জনগৌষ্ঠী অন্যায় অনিয়ম দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি পুকুর চুরির সাথে সম্পৃক্ত। সোনার বাংলায় এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে অরাজকতা হচ্ছে না। সর্বমহলে শিক্ষিত প্রফেশনালরা দেশ জাতির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট জড়িত প্রতিষ্ঠানে দিনে দুপুরে পুকুর চুরির সাথে সম্পৃক্ত। আমার মনে হয় আপনি তাদেরকে দেশ প্রমের মন্ত্র শেখানো অতীব জরুরী। স্যার, All i wanted to say, bangladeshi people’s those who are living abroad professional or non professional they’re doing extremely good ,they represent Bangladesh in abroad. they have huge contribution towards Bangladesh economy. Simply Bangladeshi people’s who’s abroad they deserve respect without any condition.
স্যার, বাংলাদেশ থেকে যে সকল দক্ষ অদক্ষ জনশক্তি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তারা কিন্তু জীবনের সাথে প্রতিনিহিত যুদ্ধ করেই বেঁচে আছে। তারা যে দেশেই বসবাস করুক না কেন, সে দেশের প্রচলিত আইন কানুন মেনে স্থায়ী বা চুক্তি ভিত্ত্বিক বসাবাস করছে। পরিবার স্ত্রী মা বাবা পিছনে রেখে জীবিকার তাগিদে দায়িত্ব্ কর্তব্যবোধে বছরের পর বছর আমাদের প্রবাসীরা দেশের বাহিরে থাকেন। দেশের বাহির থাকলেও তাদের মন, ধ্যান, চিন্তা-ভাবনা, স্বপ্ন মান-অভিমান সব কিছুই দেশ ও পরিবারকে নিয়ে। প্রবাসীরা দেশে প্রতিযোগিতা করেই স্বল্প পরিসরে দেশে বাসাবাড়ি গাড়ি ছোট বিনিয়োগ করেই চলেছেন। আমার প্রশ্ন স্যার, পুকুর চুরির এই দেশে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ বিনোয়োগের কি কোন নিশ্চয়তা আছে? রাষ্ট্র সকল মানুষের কাজের নিশ্চয়তা দিতে পারলে কোনো মানুষই প্রবাস যাপন করতো না। এখনোও প্রবাসে কারো মৃত্যু হলে তার লাশ দেশে ফেরত পাঠাতে অনেক জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়। প্রবাসীদের চাঁদা তুলে লাশ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হয়। যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন কারি প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাকর বেদনাদায়ক ও অনাকাঙ্ক্ষীত।
স্যার, উন্নত জীবনের আশায় উচ্চশিক্ষার টানে কিংবা অন্য যে কারণেই বাংলাদেশের মানুষ বিদেশে যায়। প্রবাসীদের সিংহভাগই নিজেদের উদ্যাগে বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছে, যদিও সরকারি বেসরকারি প্রচেষ্টা ছিল কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য। কিন্তু তাদের মন পড়ে থাকে এই দেশ মাতৃকায় রেখে যাওয়া স্বজনদের জন্য, প্রবাসীরা মা মাটির টান কখনো ভুলতে পারে না। মাস শেষে নিজেদের কষ্টার্জিত উপার্জনের অর্থ নিয়মিত পাঠিয়ে তারা দেশ ও পরিবারকে সমৃদ্ধ রেখেছে বছরের পর বছর। শুধু অর্থের মানদন্ডে প্রবাসীদের অবদান বোঝা সম্ভব নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা এক কোটি বাংলাদেশি প্রবাসী দেশের বেকারত্বের সংকট মোকাবিলাতে সরাসরি অবদান রাখছেন। প্রবাসীদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক সংগঠন ও প্রবাসীদের বিনিয়োগ দৃশ্যমান। প্রবাসীরা কোনো প্রতিদানের আশায় দেশের অর্থনীতি অবদান রাখছে না। তারা অবদান রাখছে দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও দায়িত্বশীলতা থেকে। তাই প্রবাসীদের হেয় করে দেখা হয় মোটেই কাম্য নয়।
স্যার, যখনই বাংলাদেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির কথা আসে তখন দেশের সরকার প্রধান রাস্ট্র সবাই একবাক্যে স্বীকার করে নেয় প্রবাসী বাঙ্গালীদের অবদানের কথা। অপকটে স্বাকীর করেন তাদের পাঠানো রেমিটেন্স বাংলাদেশের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস যা আপনার দিক নির্দেশের সাথে সাংঘর্ষিক।
একটি Example টেনেই আলোচনা শেয করতে চাই। যা দেশীয় প্রফেশনালদের দায়িত্ববোধে নীতিনৈতিকতা ও দেশপ্রেমের যে অধ:পতন হয়েছে তাহার-ই ইঙ্গিত দেয়। স্যার, বিগত এক দশকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত থেকে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডি। গেল সপ্তাহে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম।এসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে খেলাপি ঋণের টাকা রয়েছে ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা। এই ৩০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সেই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে ফেরত দেননি। তারা সরকার থেকে ঋণ নিয়েছেন ৭০ হাজার ৫৭১ কোটি। এর মধ্যে খেলাপি রয়েছে ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা।মন্ত্রী জানান, ১৪ হাজার ৭১৫টি প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকে পাঁচ কোটির ঊর্ধ্বে ঋণ নিয়েছে। যাদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। এদের কাছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ ১৮৩ কোটি টাকা। শীর্ষ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সামানাজ সুপার ওয়েল লিমিটেড এক হাজার ৪৯ কোটি টাকা, গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডাইং ৯৮৪ কোটি, রিমেক্স ফুডওয়্যার লিমিটেড ৯৭৬ কোটি, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম লিমিটেড ৮২৮ কোটি, মাহিন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৮২৫ কোটি, রূপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেড ৭৯৮ কোটি সহ অনেক লম্বা লিস্ট যা লিখতে গেলে অনেক সময় ব্যয় হবে।
স্যার, উল্লেখিত ব্যক্তি প্রতিস্টান কি প্রফেশনাল দ্বারা পরিচালিত নয়? ওরা কি দেশের দেশের অথনীতিকে পঙ্গু করছে না ? ওরা কি প্রবাসিদের বিনিয়োগকে পুকুর চুরি করে খাচ্ছে না ? একটি সেক্টর আপনার সাথে শেয়ার করলাম স্যার, আপনি- ই বলেন দেশের একটি সেক্টরের নাম যেখানে পুকুর চুরি হচ্ছে না। সেই বিচারে প্রবাসী প্রফেশনাল নন প্রফেশনালরা অনেকটা নিষ্পাপ। তারা কিন্তু এই সব পুকুর চুরির সাথে সম্পৃক্ত নয়। প্রবাসীদের দেশপ্রমের সাথে দেশের প্রফেশনালদের দেশপ্রমের মধ্যে অনেক ফারাক।
স্যার, আপনি এই সব পুকুর চুরির রাজাদের দেশপ্রেম  উন্নয়নে সহায়ক ক্লাসের ব্যবস্থা করুন। তাদের নীতিনৈতিকতার দেশপ্রমের উন্নয়ন প্রবাসীদের চোখে পরলে আমরা হাততালি দিয়ে তাদের উৎসাহ দিব। বিস্বাস করুন স্যার এই দেশটাকে ওরাই তিলে তিলে শেয করে দিচ্ছে।
লেখক: নজরুল ইসলাম,
ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, ওয়ার্কিং ফর ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস লন্ডন, মেম্বার, দি ন্যাশনাল অটিষ্টিক সোসাইটি ইউনাটেড কিংডম
মন্তব্য
Loading...