ফেঞ্চুগঞ্জের মাতব্বদের রোষানলে একটি পরিবার ৩ মাস একঘরে

থাকার পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবশেষে মাতব্বর শ্রীঘরে...

265
gb

স্টাফ রিপোর্টার,ফেঞ্চুগঞ্জ ||
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বিয়ের দাওয়াত না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ সমাজপ্রতিদের রোষানলে পড়ে তিনমাস একঘরে থাকার পর অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমাজে ফিরো এলে উপজেলার ঘিলাছাড়া ইউনিয়নের কোরবান পুর গ্রামের আব্দুস সালামের পরিবার।
স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের পর একঘরে পরিবারটির একাকিত্ব বসবাসের অবসান ঘটে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, হত দরিদ্র আব্দুস সালামের আর্থিক সংগতি না থাকায় গত অক্টোবরে শশুর বাড়ির লোকজনের আর্থিক সহায়তায় শশুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেন।
আব্দুস সালামের মেয়ের বিয়ের খবর গ্রামের মাতব্বরদের কানে পৌছিলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন মাতব্বরা। মেয়ের বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় কোরবান পুর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আখলাছ মিয়া ও সেক্রেটারী লকুছ মিয়া অনুসারীদের নিয়ে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ার অভিযোগ এনে আব্দুস সালামের পরিবারকে সমাজচ্যুতির ঘোষণা দিলে গ্রামে একঘরে হয়ে পড়ে আব্দুস সালামের পরিবার ।
স্থানীয় সংবাদকর্মীরা বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর করলে গত বৃহস্পতিবার (৩১/১)উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা হক ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে কোরবান পুর মসজিদ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। একঘরে করার অপরাধে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারী লকুছ মিয়াকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে একমাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।
জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ইউএনও আয়েশা হক ।