মৌলভীবাজারে মবশ্বির-রাবেয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে ১১তম ফ্রি চক্ষু শিবির ২০২৬

gbn

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি //

মৌলভীবাজার পৌর এলাকার পশ্চিম ধরকাপন এলাকায় মবশ্বির-রাবেয়া ট্রাস্টের উদ্যেগে ১১তম বারের মতো ৫দিন ব্যাপী ফ্রি চক্ষু শিবির ২০২৬ শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ফ্রি চক্ষু শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মনসুর আলমগীর। মবশ্বির-রাবেয়া ট্রাষ্টের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হুমায়েদ আলী শাহীনের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মুহিব এর পরিচালনায় আন্যাদের বক্তব্য রাখেন, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সিনিয়র সহ এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, সাধারণ সম্পাদক ডা: ছাদিক আহমদ, ট্রাষ্টের নির্বাহী পরিচালক এস এম উমেদ আলী, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আলহাজ¦ আয়াছ আহমদ,যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ

 

 

জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি শাহ সাইফুল আক্তার লিখন, ব্যবসায়ী সৈয়দ মোতাহের আলী, সাংবাদিক মো: শাহজাহান মিয়া, মো: মাহবুবুর রহমান রাহেল, সমাজসেবী সৈয়দ মমসাদ আলী প্রমুখ। অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের পাবলিক রিলেশন অফিসার দেওয়ান রুহুল আমিন চৌধুরী, সৈয়দ তালহা আহমদ, সৈয়দ জাহিদ আলী, সৈয়দ মুজতাহিদ আলী, সৈয়দ ওসমান গণি (ইফতি), সৈয়দ মোঃ সামিন ইয়াসার, সৈয়দ মোঃ সাকিফ হাসনাত, সৈয়দ মোঃ সাফাত আফসার, সৈয়দ ইমতিয়াজ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার মনসুর আলমগীর বলেন, দীর্ঘদিন থেকে মবশি^র-রাবেয়া ট্রাষ্ট্রের উদ্যেগে বড় পরিসরে ফ্রি চক্ষু শিবির চালু রেখেছেন। যা মানবতার সেবায় একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। প্রতি বছরই এ সেবার সাথে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষরা তাদের সার্বিক সহযোগীতা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। মবশ্বির রাবেয়া ট্রাষ্ট যেভাবে চিকিৎসা সেবা গরীবদের দিচ্ছে, তেমনি সমাজের বৃত্তবানরা অন্যান্য চিকিৎসা সেবা দিলে অসহায় মানুষরা সেবা পাবে। ট্রাষ্টের এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জেলা ব্যাপী ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। এটি একটি মহতী উদ্যোগ। ফ্রি চক্ষু শিবির সহ মানবতার কল্যাণে তাদের সকল কার্যক্রমের সফলতা কামনা করছি। মবশি^র-রাবেয়া ট্রাষ্ট ২০১৪ সালে প্রথম ফ্রি চক্ষু শিবিরের কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম বছর ২০১৪ সালে ছানীপড়া ৯০ রোগীকে অপারেশন করা হয়। ২০১৫ সালে ছানীপড়া রোগী ১১৭ জন, ২০১৬ সালে ছানীপড়া রোগী ১২০ জন, ২০১৭ সালে ছানীপড়া রোগী ১৯৫ জন ও চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) ৫১ জন, ২০১৮ সালে ছানীপড়া রোগী ২১০ জনকে ও চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) ৭০ জন, ২০১৯ সালে চোখের ছানিপড়া ১৮৪ জন ও চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) ৭০ জন, ২০২০ সালে চোখের ছানিপড়া ১৩৫ জন ও চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) ৬৭ জন, ২০২২ সালে চোখের ছানিপড়া ১৮৫ জন ও চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) ৬৩ জন, ২০২৩ সালে চোখের ছানিপড়া ১৯০ জন ও চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) ৭০ জন, ২০২৪ সালে ১৬০ জন ও নেত্রনালী (ডিসিআর) ৬০ জন এবং চলতি বছর ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি ১৫০ জন ও নেত্রনালী (ডিসিআর) ৫০ জন রোগী অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি চক্ষু সেবার পাশাপাশি করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিতরণ, গৃহ নির্মান, রিক্সা বিতরণ, রমজান মাসে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, হজ¦ প্রশিক্ষণ, অসহায় ও এতিমদের জন্য নগদ অনুদান প্রদান সহ আর্থ-মানবতার সেবায় বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। আয়োজকরা জানান, দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা শেষে এ বছর ছানিপড়া রোগী প্রায় ১৫০ জন ও নেত্রনালী (ডিসিআর) ৫০ জন রোগী অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়। অপারেশন ব্যাতীত প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়া রোগীদের ঔষধ ও চশমা প্রদান করা প্রায় দেড় হাজার রোগীকে। ফ্রি চক্ষু শিবিরের ৩১ জানুয়ারি থেকে থেকে ৪ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত বাছাইকৃত ছানিপড়া রোগীদের বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে অপারেশন কার্যক্রম চলবে। চোখের নেত্রনালী (ডিসিআর) অপারেশন পর্যায় ক্রমে করা হবে।

gbn

মন্তব্যসমূহ (০)


ব্রেকিং নিউজ

লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন