বাবার ভূমিকায় অভিনয় করা অবস্থায় যৌন হয়রানির অভিযোগ – বলিউডের পরিচিত মুখ সন্ধ্যা মৃদুল সন্ধ্যা মৃদুল

219

জিবি নিউজ24 ডেস্ক //

এবার অলোক নাথের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বলিউডের পরিচিত মুখ সন্ধ্যা মৃদুল। সন্ধ্যার দাবি, বেশ কয়েক বছর আগে একটি টেলিফিল্মের শুটিংয়ে তার সঙ্গে আপত্তিকর ব্যবহার করেছিলেন অলোক।

সেখানে তিনি সন্ধ্যার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ভয়ঙ্কর সেই অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

সন্ধ্যা লিখেছেন,  আমার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কোদাইকানালে এক টেলিফিল্মের শুটিং করেছিলাম। অলোক নাথ আমার বাবা এবং রিমা লাগু আমার মায়ের ভূমিকায় ছিলেন।

তিনি আরো লেখেন, অলোক আমার কাজের প্রশংসা করতেন। আমাকে তো ঈশ্বরের সন্তান বলেও ডাকতেন। আমি তো বাবুজির অনুরাগী ছিলাম।

তিনি আরো জানান, একদিন রাতে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হওয়ার পর পার্টি করছিলেন সকলে। সেখানে মত্ত অবস্থায় অলোক আমাকে তার পাশে বসার জন্য জোর করছিলেন। আমার অস্বস্তি হতে থাকে। টিমের বাকি সদস্যরা বুঝতে পেরেছিলেন, কী হতে চলেছে। তারাই ওই পরিবেশ থেকে আমাকে বের করে নিয়ে আসেন। রাতে না খেয়েই হোটেলে ফিরে যাই।

কিন্তু এতেই যে বিপদ শেষ হয়নি, তা তখনো জানতেন না সন্ধ্যা। তিনি লিখেছেন, পরের দিন খুব সকালে আমার কল টাইম ছিল। আমার ঘরে কস্টিউম দিতে এসেছিলেন একজন। তিনি চলে যাওয়ার পর ফের দরজায় আওয়াজ হয়। তিনিই ফিরে এসেছেন ভেবে আমি দরজা খুলে দেখি অলোক দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আমি দরজা বন্ধ করে দিতে যাই, কিন্তু জোর করে উনি ঘরে ঢুকে পড়েন। আমি বাথরুমের দরজার সামনে পড়ে গিয়েছিলাম।

তখন আমাকে ধরে টানতে থাকেন অলোক। কোনো রকমে উঠে দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে লবিতে চলে গিয়েছিলাম স দিন।

সন্ধ্যা জানিয়েছেন, ওই ইউনিটেরই এক সদস্য তাকে সে রাতে সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু অলোক কোনো ভাবেই তার ঘর ছাড়তে চাননি। মাতাল অবস্থায় সন্ধ্যার ঘরকেই নিজের ঘর বলে নাকি দাবি করেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা।

সন্ধ্যা জানিয়েছেন, কিছুদিন পরে তার ঘরে গিয়ে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অলোক। কিন্তু মুম্বাইতে ফিরেই তিনি নাকি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে নানা কথা বলতে থাকেন। সন্ধ্যা একগুঁয়ে এবং তার সঙ্গে কথা বলাটা অস্বস্তিকর, এ কথা নাকি ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে রটিয়েছিলেন অলোকই।

মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More