জার্মান চ্যান্সেলর হিসেবে চতুর্থবার জিতলেন মার্কেল

3,968
gb

জার্মান চ্যান্সেলর হিসেবে চতুর্থবারের মতো জিতলেন অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। জাতীয়তাবাদীদের ঐতিহাসিক সাফল্যের মধ্যেও সংসদে আবারো  সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল মার্কেলের রক্ষণশীল জোট খ্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন-খ্রিশ্চিয়ান সোশাল ইউনিয়ন (সিডিইউ-সিএসইউ)।

জানা গেছে, নির্বাচনে মার্কেলের জোট সিডিইউ-সিএসইউ পেয়েছে ২৩৯টি আসন। আর অন্য দুই দল এসডিপি ও এএফডি যথাক্রমে ১৫০ ও ৯৪টি আসন পেয়েছে।

এদিকে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও অর্জিত এ ফলাফলকে রীতিমতো ‘খারাপ’ বলে মন্তব্য করেছে মার্কেলের নেতৃত্বাধীন সিডিইউ-সিএসইউ জোটের অনেকেই।

মার্কেলও মনে করেন আশানুরূপ ফল পায়নি তার জোট। এ কারণে জয় পাওয়ার পর সমর্থকদের উদ্দেশে এক ভাষণে তিনি বলেন, তার প্রত্যাশা ছিল দল আরও ভালো ফল করবে। এএফডি পার্টির উত্থান ঘটায় জনগণের ভয়, উদ্বেগের কথা তিনি শুনবেন বলে জানান।  খবর বিবিসির।

নির্বাচনের আগেই দেশের অভিবাসন, শিক্ষা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মার্কেল। এ ছাড়াও শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুও প্রাধান্য পাবে তার সরকারে।

এ ছাড়াও চ্যান্সেলর মার্কেল তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বেকার সমস্যা হ্রাস এবং মোডেস্ট ট্যাক্স কমানোর কথা দিয়েছেন। তবে ২০১৫ সালে নেওয়া ‘ওপেন ডোর’ পলিসি আগামীতে আর পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তার ওই নীতির কারণে দেশটিতে ১০ লাখের বেশি শরণার্থী অবস্থান করছে।