প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পেশাগত সততা, নিষ্টা ও দক্ষতার পুরস্কার বিপিএম পদকে ভুষিত হলে হবিগঞ্জের গর্ব নবীগঞ্জের কৃতি সন্তান ডিআইজি কৃষ্ণপদ রায়

88

উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ||
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ও অপারেশন) হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান, নবীগঞ্জ জে.কে. উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮৪ ব্যাচের মেধাবী ছাত্র কৃষ্ণ পদ রায় পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ ম্যাডেল (বিপিএম-সেবা) অর্জন করেছেন। গত সোমবার পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষ্ণ পদ রায়কে এ পদক প্রদান করেন। পেশাগত দক্ষতা, সততা, আইনশৃংখলা উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তাকে এ পদকে ভূষিত করা হয়।
নবীগঞ্জ উপজেলার কৃর্তি সন্তান কৃষ্ণপদ রায় বিপিএম,পিপিএম বার চাকুরীতে সততা নিষ্টা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি সরুপ পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) থেকে গত ৭ নভেম্বর ২০১৮ইং তারিখে পূর্ন দায়িত্বে পদোনতি পান। পুলিশের আইজিপি ড.জাবেদ পাঠোয়ারী এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আসদুজ্জামান মিয়া তাকে পদোন্নতি ব্যাজ পরিয়ে দেন। নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের হালিতলা গ্রামের মৃত গোপাল চন্দ্র রায় এবং রমা রানী রায়ের প্রথম সন্তান কৃষ্ণপদ রায়,সিলেট এম সি কলেজ থেকে এইচ এসসি পাশ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা বিষয়ে অর্নাস ও মাষ্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে ১৯৯৫ সালে ১৫ তম বিসিএস পরীক্ষায় এ এসপি পদে বগুড়ায় যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে শেরপুর জেলা এবং চাদঁপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে আবারো পদোন্নতি পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা জোনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার,ঢাকায় ডিবি পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার হিসাবে অত্যান্ত সততা ও দক্ষাতার সহিত দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্ত্তীতে তিনি পদোন্নতি পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার(ক্রাইম) হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজ পদমর্যাদা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) ক্রাইম ও অপারেশন পদে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি গত ৭ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পূর্ন দায়িত্ব পদে আসীন হন। পুলিশের গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে তিনি ২০০২ থেকে ২০০৩ সালে কসবো,২০০৬ থেকে ২০০৭ সালে লাইব্রেরিয়া এবং ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সুদান এ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে শান্তি রক্ষা কমিশনে তিনি অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চাকুরীতে সততা,নিষ্টা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক পিপিএম এবং ২০১৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশ পদক বিপিএম পদক প্রদান করা হয়। পেশাগত কর্মজীবনে প্রবেশের পুর্বে তিনি ঢাকায় ডেইলী ষ¦টার পত্রিকার ষ্টাফ রির্পোটার পদে বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তানের জনক। উল্লেখ্য ডিআইজি কৃষ্ণপদ রায়ের মাতা রমা রায়কে ঢাকা এবং সিলেট মহালয়া উদযাপন পরিষদ কর্তৃক রতœগর্ভা মাতা পদক প্রদান করা হয়। কর্মজীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিআইজি কৃষ্ণপদ রায় এ প্রতিনিধি হিমেলকে বলেন,পেশাদারিত্বের মাধ্যমে কর্ম সম্পাদন করে দেশের সাধারন মানুষকে আইনগতভাবে সেবা করাই হোক সকল পুলিশ সদস্যের লক্ষ্য।

মন্তব্য
Loading...