সামাজিকভাবে বয়কট হলেও আইনে ধরাছোয়ার বাইরে

559
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা::

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আমিন হোসেনের ছেলে অপরাধ জগতের স¤্রাট ছলেমান সামাজিকভাবে বয়কট হলেও আইনে ধরাছোয়ার বাইরে।
এলাকাবাসির অভিযোগে জানা যায়, ছলেমান কৈশর ও যৌবন বয়স থেকে এলাকায় প্রতারনাসহ তার বাসায় বিভিন্ন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে এলাকাবাসি তাকে আইনের হাতে সোর্পদ্দ করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট কয়েকদফা অভিযোগ করলেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা তাকে আইনের আওতায় নিতে পারেননি। এতে এলাকাবাসি অতিষ্ট হয়ে তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানিয়েছেন। এদিকে তার খপ্পরে পড়ে আপন জামাতার ছোট ভাই সৌদি প্রবাসী আব্দুল মজিদ মিয়ার সাথে তিনি তার স্ত্রীর ছদ্দোনাম ব্যবহার করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন সময় বিকাশ এবং একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
আব্দুল মজিদ দেশে ফিরে আসলে ছলেমানের প্রতারণার গোমর ফাঁস হয়ে পড়ে। এব্যাপারে মজিদের ছোট ভাই মহির উদ্দিন থানায় এজাহার করলে গত ২৯ মার্চ এসআই প্রতাব ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ছলেমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলেও স্থানীয় ভাবে মীমাংসার জন্য ৬ নং সর্বানন্দ ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুর রহমানের জিম্মায় ছেড়ে দেয়। এব্যাপারে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, প্রতারক ছলেমান দীর্ঘদিন থেকে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে থাকায় বিষয়টি নিয়ে সালিশ-মীমাংসা করার সম্ভব হচ্ছে না।
উক্ত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ক্বারী ইসাহাক জানান, এই ধরণের অপকর্মের সাথে ছলেমান জড়িত থাকায় তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করা হয়েছে। থানা অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান জানায়, ঘটনাটি সত্য হলেও টাকা পয়সা লেনদেনের প্রমানাদি না থাকায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। এব্যাপারে ছলেমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।