ত্রাণসামগ্রীতে ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ বিপণন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান | উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

108
gb
8

মো:নাসির, বিশেষ প্রতিনিধি-

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারাদেশ লকডডাউন। বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এর ছোবলে ইতোমধ্যেই ঝরে গেছে অসংখ্য তাজা প্রাণ। এই ভাইরাসের কারণে বিশ্বের অনেক দেশেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল-কলেজও। এসময় সবচেয়ে বেশি অসহায় দিন এনে দিন খাওয়া লোকজন। তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে খাবার। এসময় ত্রাণ সামগ্রীর মাঝে ডিমকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় বিপণন বিশেষজ্ঞ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ” দেশ লকডাউন থাকলেও ডিমের উৎপাদন থেমে নেই। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ডিম উৎপাদন হচ্ছে খামারগুলোতে । কিন্তু সেগুলো মানুষের হাতে হাতে পৌঁছাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন বিপুল পরিমান ডিম নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে খামার মালিকরা। এভাবে চললে আগামী সময়ে বন্ধ হয়ে যাবে অনেক খামার। দেখা দিবে ডিমের অভাব। আমাদের দেশের কৃষিখাতে উল্লেখযোগ্য অবদান আছে ডিম খামারিদের।।এছাড়াও মানুষের দেহের প্রোটিনের অভাব পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডিম। এসময় চাল,ডাল, লবণ, তেলের সাথে সাথে ডিমকে ত্রাণ সামগ্রীর অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মিটবে অন্যদিকে আমাদের কৃষিখাতের বড় একটা অংশ ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে যাবে। “

বাংলাদেশ মার্কেটার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি তাঁর সংগঠনের উদ্যোগে চলমান জরুরী ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচীতে ত্রাণসামগ্রীতে ডিমকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। একই সাথে সবার প্রতি আহবান জানিয়েছেন যেন সবাই ডিমকে তাদের ত্রাণসামগ্রীতে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করেন।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন