সখি তুমি কার পাল্টির পর পাল্টি আবারও আলোচনায় গাইবান্ধার আব্দুর রশিদ

102

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ||

গাইবান্ধা জেলার আব্দুর রশিদ জাতীয় পার্টির কেউ নয় সংবাদ সম্মেলনে বললেন জাতীয় পার্টির জেলা নেতৃবৃন্দ। মামলা থেকে বাঁচার জন্য তিনি পাগলের প্রলাপ বকছেন। কোন স্বার্থপর বেঈমান এর জায়গা জাতীয় পার্টিতে নেই। আমরা পরিস্কার করে বলে দিতে চাই আব্দুর রশিদ জাতীয় পার্টির সাথে আর সম্পৃক্ত হতে পারবেনা না।
গাইবান্ধা জেলার জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুর রশিদ আবার জাতীয় পার্টিতে ফেরার ঘোষণায় সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা জাতীয় পার্টি।
গাইবান্ধা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুর রশিদ দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দল থেকে পদত্যাগ করেন। গাইবান্ধা ২(সদর) আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে হেরে যান। আব্দুর রশিদ গাইবান্ধা শহরের কলেজ রোডে গত সোমবার দুপুরে তার নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, তিনি আবারোও জাতীয় পার্টিতে ফিরেছেন।
উল্লেখ্য যে আব্দুর রশিদ দীর্ঘদিন জেলা জাপার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি জাপার টিকিটে ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে দু’দফায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গাইবান্ধা পৌরসভার কমিশনার ও চেয়ারম্যান ছিলেন। আবদুর রশিদ ২০০৯ সালে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি জাপা থেকে পদত্যাগ করে ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তিনি ৬৮ হাজার ৬ শত ৭০ ভোট পেয়ে এ আসনে বিজয়ী প্রার্থী মাহবুব আরা গিনির কাছে হেরে যান। গত সোমবার তিনি আরো বলেন, তিনি এখনো জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদে বহাল রয়েছেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা সদর আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন না পেয়ে হতাশায় ভুগছিলেন। তাই তিনি বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন নেন। এতে বিএনপির মনোনয়ন বি ত ব্যক্তিরা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কোনো সহযোগিতা পাননি। বিএনপি’র কোনো নেতাকর্মী ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় অংশ নেননি। তিনি যে ভোট পেয়েছেন তা নিজের ভাবমূর্তির কারণেই পেয়েছেন।
আরো বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে তার আর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি জেলায় জাতীয় পার্টির কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ ও মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা তাকে স্বপদে বহাল থেকে দলের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সদস্য নুর মোহাম্মদ, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, পার্টির সভাপতি এস এম বাবলু প্রমুখ।

মন্তব্য
Loading...