জীবন সম্পর্কে যে ৭ টি দারুণ বিষয় প্রতিটি বাবা তার সন্তানকে শেখাতে পারেন

365
gb

মো: নাসির নিউ জার্সি, আমেরিকা থেকে:: বাবা প্রতিটি সন্তানের প্রথম হিরো। পরিবারে বাবার স্থান সত্যিকার অর্থেই রাজার মতো। বাবার ছায়াতলে পরিবারের প্রতিটি সদস্য নিরাপদ অনুভব করতে পারেন। বাবারাও নিজের জীবনের শত অভিজ্ঞতা থেকে সন্তানদের শিক্ষা দিতে পারেন জীবন যাপনের দারুণ কিছু বিষয়। সন্তানের জীবনটা সুন্দর করে গড়ে তুলতে এবং তাদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতিটি বাবা সন্তানদের শেখাতে পারেন এই বিষয়গুলো।
১) দাম নয় প্রতিটি জিনিসের মূল্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ তা শেখাতে পারেন বাবারাই। যাতে করে সন্তানেরা যেনো টাকা পয়সা দিয়ে জিনিসের দাম বিবেচনা না করে তার সত্যিকারের আয় করার মূল্যটা বুঝতে পারে।

২) অর্থ দিয়ে সবকিছু কিনতে চাওয়া শুধুই বোকামি। এবং অর্থের পেছনে ছুটে চলে জীবনের ছোটো ছোটো সুখগুলো হারিয়ে ফেলা জীবনটাকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে এই শিক্ষাও বাবারাই তার সন্তানকে শিখিয়ে দিতে পারেন।

৩) শুধুমাত্র পাঠ্য বই পড়ে শিক্ষিত হওয়াই সত্যিকারের শিক্ষিত হওয়া নয়, বরং মানুষের পারিপার্শ্বিক নানা দিকে জ্ঞান রাখা এবং বাস্তবতা সম্পর্কে জ্ঞান রাখাই মূলত সত্যিকারের শিক্ষিত হয়ে উঠা। বাবার কাছ থেকে সন্তানেরা সত্যিকারের শিক্ষিত হওয়ার এই দীক্ষাটিও নিতে পারেন।

৪) মানুষকে সাহায্য করার মাঝে যে অন্যরকম একধরণের সুখ খুঁজে পাওয়া যায় সে শিক্ষাটিও বাবারাই সন্তানকে হাতে কলমে শেখাতে পারেন। এতে করে প্রতিটি সন্তানই বেড়ে উঠবে মানুষের প্রতি মায়া মমতা নিয়ে। সমাজটাই বদলে যেতে পারে সামান্য এই কাজটুকুতেই।

৫) ন্যায় অন্যায় জ্ঞানটিও বাবারাই সন্তানকে ভালো করে শেখাতে পারেন। কোন কাজটি করা সত্যিকারের মানুষের পরিচয় বহন করে এবং কোন কাজটি সকলের চোখে অন্যায় সে জিনিসটি সন্তানদের ছোটো থেকেই শেখানোর দায়িত্ব পুরোপুরি বর্তায় বাবার উপরেই।

৬) জীবনে সবকিছু সহজলভ্য নয়, প্রতিটি জিনিস পেতেই কষ্ট করতে হয় এই ব্যাপারটিও বাবারা শেখাতে পারেন তার সন্তানকে। এতে করে শিশুরা ছোটকাল থেকেই সবকিছু মূল্য বুঝতে শিখবে এবং অযথা জিনিস নষ্ট করা বা অযাচিত আবদার করা থেকেও দূরে থাকবে।

৭) হার-জিত সবকিছুতেই রয়েছে। বরং জেতার মধ্যে খুশি পাওয়া গেলেও শেখার কিছু থাকে না। হেরে গেলেই শেখার অনেক কিছু পাওয়া যায় যা জীবনকে আরও উন্নত করতে, সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করে।