ভরসা তাদের ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো

185
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা|| গাইবান্ধা পৌরসভার ৯ নম্বরওয়ার্ডের জুম্মাপাড়া এলাকায় পুরাতন ঘাঘট নদীর ওপর নির্মিত কাঠেরসাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সহস্রাধিক মানুষের একমাত্রভরসা এ ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো।কাঠের সাঁকোটির পাশে একটি সেতু নির্মাণ করবে এলজিইডি।কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে। তাইযাতায়াত যাতে বন্ধ না হয় সেজন্য কাঠের সাঁকোটি মেরামত করারদাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।গাইবান্ধা পৌরসভা, কাউন্সিলর ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছরআগে গাইবান্ধাপৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলরমোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জুর উদ্যোগে পৌরসভার অর্থায়নে দুই লক্ষাধিকটাকা ব্যয়ে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে আরসাঁকোটি সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে সাঁকোটি সংস্কারেরঅভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।সাঁকোটি দিয়ে খুব অল্প সময়েই জেলা শহরে প্রবেশ করতে পারে মানুষ।নির্মাণের পর সাঁকোটির ওপর দিয়ে অ্যাকোয়ারস্টেটপাড়া, জুম্মাপাড়া,কুঠিপাড়া, পূর্বকোমরনইসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে।সরেজমিনে দেখা গেছে, সাঁকোটিতে ওঠার সময় ও মাঝখানে কাঠেরপাটাতন ভেঙে ও নষ্ট হয়ে খুলে গেছে। ফলে সে জায়গাগুলো ফাঁকা
রয়েছে। খুঁটিগুলোর গোড়া আলগা হয়ে যাওয়ায় পারাপারের সময়নড়াচড়া করে সাঁকোটি। আতঙ্কে ধীরে ধীরে কাঠের সাঁকোটি ধরে পারাপার হয় মানুষ।সাঁকোটি দিয়ে চলাচলকারী জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীরহোসেন আকন্দ বলেন, কাঠের সাঁকোর কারণে মানুষের খুব উপকারহয়েছে। কিন্তু সেটি নির্মাণের পর সংস্কার না করায় বর্তমানেঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। চলাচলের সময় সাঁকোটি দোলে। কাঠের পাটাতনগুলো পুরনো হয়ে যাওয়ায় ভয়ে ভয়ে পার হতে হচ্ছে সাঁকোটি।এমতাবস্থায় খুব দ্রুত সাঁকোটি মেরামত করা প্রয়োজন।
বর্তমান কাউন্সিলর ইউনুস আলী শাহীন বলেন, কাঠের সাঁকোটি পৌর মেয়র একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া মেরামতের জন্য পৌরসভারনির্বাহী প্রকৌশলীকে বারবার তাগাদা দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না।গাইবান্ধা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এবিএম সিদ্দিকুর রহমানবলেন, ওই কাঠের সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়টি আমার জানা ছিলনা। এখন যেহেতু জানলাম, আমি মেয়রকে অবশ্যই জানাব। এরপরবরাদ্দপাওয়া গেলে মেরামত করা হবে।গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সহকারীপ্রকৌশলী মো. সাহিদুলইসলাম বলেন, প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়েওই স্থানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন
হয়েছে। আগামী মাসে কাজ শুরু হবে। আর শেষ হতে সময় লাগবে প্রায়এক বছর।এ বিষয়ে গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদজাহাঙ্গীর কবীর মিলন বলেন, ওখানে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণ করবে এলজিইডি। কাঠের সাঁকোটি
মেরামতের বিষয়টি আমি দেখছি।