লন্ডন এক্সপো ২০১৯ লক্ষ্য বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের প্রসার

50

ইব্রাহিম খলিল | সিনিয়র রিপোর্টার যুক্তরাজ্য ||

ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্পের আরো প্রসার ঘটাতে দ্বিতীয়বারের মতো লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লন্ডন এক্সপো ২০১৯। বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরকে বিশ্ব বাজারে তুলে ধরতে এবং আর্ন্তজাতিক রিটেইলারদের আকৃষ্ট করার লক্ষে এই আয়োজন। ই-ফ্যাশন ইউকে বিডির উদ্যোগে আগামী ২৯ ও ৩০ মে সেন্ট্রাল লন্ডনের অভিজাত কংগ্রেস সেন্টারে দু‘দিনব্যাপী এই এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশসহ এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। গত ৭ ফেব্রæয়ারী, বৃহস্পতিবার লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আয়োজকরা। এতে লিখিত বক্তব্য রাখেন ই-ফ্যাশন ইউকে বিডি ইভেন্ট ম্যানেজার থেরেসা।


সংবাদ সম্মেলনে লন্ডন এক্সপো‘র চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মুহাম্মদ লুতফুর রহমান বলেন, এবার এ´পোতে প্রায় ৬০-৭০টি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান অংশ নিবে। তৈরি পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনীতে মূলত টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস পণ্য থাকবে। প্রদর্শনী চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। জনসাধারনের জন্য সম্পূর্ন ফ্রি প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গার্মেন্টস শিল্প, ডিজাইন এবং সম-সাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে ২টি কী নোট উপস্থাপন করবে বিশেষজ্ঞ প্যানেল। থাকবে একটি আধুনিক ফ্যাশন শো।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, গত বছর প্রথমবারের মতো আয়োজিত এক্সপোতে বাংলাদেশ, ইউকে-ইউরোপসহ বিশ্বের ৮টি দেশ থেকে গার্মেন্টস শিল্পের ব্যবসায়ীরা অংশ নিয়েছিলেন। এতে বিপুল সাড়া পাওয়া যায়। এর ধারাবাহিকতায় এবারো আশা করা যাচ্ছে, এক্সপো সফল এবং কার্যকর হবে।
দু‘দিনব্যাপী প্রদর্শনীর মাধ্যমে ক্রেতা এবং উদ্যোক্তাদের জন্য একটি যুগোপযোগী প্লাটফর্ম তৈরি হবে। যেখানে তারা নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সেবার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। ভোক্তা, উদ্যোক্তা, আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সরাসরি সাক্ষাৎ এবং আলাপচারিতার এই সুযোগের ফলে সবার মধ্যে সেতুবন্ধন হবে বলে দাবী আয়োজকদের।
লন্ডন এক্সপোর ইভেন্ট কো- অর্ডিনেটর মাহবুব রহমান বলেন, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশী পোষাকের কদর দিন দিন বাড়ছে। ডিজাইন এবং গুনগত মান বজায় রাখতে পারলেই খুব শ্রীঘ্রই বাংলাদেশ বিশ্বের এক নম্বর পোষাক রপ্তানীকারক দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে স্থান করে নেবে।
সংবাদ সম্মেলনে লন্ডন এক্সপো ২০১৯ টিমের পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাজেরা আলী সুলতান মাহমুদ ও মাসুম ইসলাম।

মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More