বেনাপোল কাস্টমস হাউজে দুর্ধষ্য  চুরিঃ ভোল্ট ভেঙে ১৯ কেজি ৪শ” গ্রাম স্বর্ণ চুরি 

94
gb
ইয়ানূর রহমান : বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ভোল্ট ভেঙে ১৯ কেজি ৩শ” ৮৫ গ্রাম স্বর্ণ চুরি হয়ে গেছে।
সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১১ টায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে ডিএসবির (এএসপি) তৌহিদুর রহমান আনুষ্ঠানিক ভাবে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শুক্রবার, শনিবার অথবা রবিবার অফিস বন্ধ থাকায়, এ তিন দিনের মধ্যে চোর চক্র এ চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ চুরির ঘটনায় কাস্টমস হাউজের একজন ইন্সপেক্টর, একজন সিপাইসহ ৫ জনকে জিজ্ঞেসবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তারা হলেন, ইন্সপেক্টর সাইফুল, সিপাই পারভেজ, এনজিও কর্মি আজিবর, মহব্বত ও সুরত আলী।
তিনি আরও জানান, কাস্টমস হাউজের উক্ত ভোল্টে জব্দকৃত ৩০ কেজি স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা, কষ্টিপাথরসহ মুল্যবান দ‌লিলপত্র ছিল। কিন্তু চুরি হওয়ার পর আমরা প্রাথমিক তদন্তে সেখান থেকে শুধু মাত্র ১৯ কেজি ৩ শ” ৮৫ গ্রাম স্বর্ণ মিসিং পেয়েছি। অন্য কোন মালামাল চুরি হয়েছে কিনা সেটা তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের জানানো হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, এত নিরাপত্তা ও সিসিটিভি ক্যামেরা থাকা স্বত্বেও কিভাবে চুরি হলো? আর কেনইবা সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে চোর চক্রকে সনাক্ত করা হচ্ছে না।
এর জবাবে তিনি বলেন, এ তিনদিন উক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল।  যে কারণে সিসি ফুটেজ দিয়ে চোর চক্রকে সনাক্ত করা যাচ্ছে না। তবে, তদন্ত করে চোর চক্রকে ধরা হবে বলে জানান।
এসময় তদন্ত টিমের সহযোগী হিসাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, যশোর ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর সোহেল আল মামুন, র‌্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান,  খুলনা থেকে সিআইডির ইন্সপেক্টর হারুনা-অর-রশিদ, নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান ও ডিজিএফ আই, এনএসআই এর গোয়েন্দা সদস্যরা।#

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন