গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’র ভিসির পদত্যাগের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে শিক্ষার্থীরা ,ক্যাম্পাসে আনন্দের বন্যা

130
gb

গোপালগঞ্জ, ১ অক্টোবর  গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’র ভিসি অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলন স্থগিত করেছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের দ্বাদশ দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার পর ত্রয়োদশ দিনে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা চত্ত¡রে আয়োজিত এক প্রেস- ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয়। পাশাপাশি নতুন ভিসি নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবিও জানায় শিক্ষার্থীরা। প্রেস-ব্রিফিংয়ে সরকার ও প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবি, শুধু ভিসি’র অপসারণ বা পদত্যাগ নয়, গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’তে বিদ্যমান সকল দুর্ণীতি, অনিয়ম ও অবিচারের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যেন সংশ্লিষ্ট সকল দোষী ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনা হয়, আন্দোলনে বিরোধীতাকারী গোষ্ঠী ও সাবেক ভিসি’র দোসররা যেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর আর নাশকতা বা হামলার পরিকল্পনা

 

না করতে পারে সেরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং সদ্য-বিদায়ী ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার ও অবকাঠামোগত যে ক্ষতি ও ধ্বংস সাধন করে গিয়েছেন, সেগুলোরও দ্রæত পূরণ ও উন্নয়ন করা হয়। শিক্ষার্থীদের এ চলমান আন্দোলনে যারা অকুণ্ঠ সমর্থণ দিয়েছেন, যারা ন্যায়ের পক্ষে কলম ধরেছেন ও কথা বলেছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রেস-ব্রিফিংয়ে তারা দেশের সর্বস্তরে জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়িত হবে এবং বশেমুরবিপ্রবি দেশের একটি শীর্ষ বিদ্যাপীঠে পরিণত হবে, এ আশাবাদ ব্যক্ত করে। এদিকে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলছে আনন্দের বন্যা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আনন্দ মিছিল। টানা ১২ দিনের ভিসি-বিরোধী আন্দোলনের পর মঙ্গলবার ভোর হতে না হতেই শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠে নতুন আমেজে। হাতে মুখে ও শরীরে রং মেখে তারা শুরু করে আনন্দ-উল্লাস। প্রেস-ব্রিফিং শেষে তারা অংশ নেয় আনন্দ র‌্যালীতে। নতুন ভিসির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে, এমনটাই আশা সবার মনে। বশেমুরবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ নূরউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আন্দোলন স্থগিত হবার পরও শিক্ষার্থীদের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে।