সাদুল্যাপুরে লেজ আকৃতি সন্তান ভূমিষ্ঠ

3,184
gb

ছাদকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা  ||

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় একটি লেজ আকৃতি সন্ধানের জন্ম দিয়েছেন সুরমানি বেগম (২৭) নারে এক গৃহবধু। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার নিজ বাড়িতে ওই সন্তান ভুমিষ্ঠ হয়।
ওই গৃহবধুর বাড়ি সাদুল্যাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামে। তিনি আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। অদ্ভুদ আকৃতির ওই ভুমিষ্ঠ শিশুকে এক নজর দেখার জন্য শতশত লোকের ভির জমতে শুরু করেছে বাড়িতে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার ১ ঘন্টা পরপরই মারা যায়। শিশুটির মাথা, হাত ও অন্যান্যা শারিক গঠন স্বাভাবিক দেখা গেলেও দুই পা দেখা যাইনি। এমনকি ভূমিষ্ট শিশুটি ছেলে নাকী মেয়ে তাও অনুভব করা যায়না। তবে দু-পায়ের স্থলে লম্বা একটি লেজ দেখা গেছে।
এ ধরণের অদ্ভুত আকৃতির শিশুটির জন্মের খবর এলাকায় ছড়িরে পড়লে উৎসুক নর-নারী তা দেখতে ভিড় জমান প্রসূতির বাড়িতে। সদ্যজাত শিশুটি দেখতে অস্বাভাবিক ও বিকৃত আকৃতির।

ফুলছড়িতে অবৈধভাবে ইটভাটা নির্মানের প্রস্তুতি
ছাদকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ঃ গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ঘনবসতি এলাকায় অবৈধভাবে ইটভাটা নির্মানের প্রস্তুতি চালিয়ে আসছে একটি প্রভাবশালী স্বার্থন্বেশী মহল। উপজেলার কি পাড়া ইউনিয়নের চান্দিয়া গ্রাম নামকস্থানে ওই ভাটাটি নির্মান প্রক্রিয়া চলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, চান্দিয়া গ্রামটি অত্যান্ত ঘনবসতিপূর্ণ ও ফসল উৎপাদন এলাকা। সম্ভাব্য ভাটা নির্মানাধীন স্থানের আশ-পাশে রয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক ঘরড়বাড়ি ও কয়েক’শ হেক্টর আবাদী জমি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে। উল্লেখিত স্থানে ভাটা নির্মান করা হলে ভাটার কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ নষ্টসহ মানুষের নানা রোগবালাই ও ফসলাদির ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।
বিশেষ সুত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সনের ২০ নভেম্বর প্রকাশিত ৫৯নং আইন “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন সংক্রান্ত আইন” এর ৮ ধারা মোতাবেক উল্লেখ আছে যে, কোন আবাসিক, বাগান, জলাভূমি কিংবা কৃষি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করতে পারবেনা। এছাড়াও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা অনুরুপ স্থান থেকে ১ কিলোমিটার দুরুত্বের মধ্যে ভাটা নির্মান নিষেদ্ধ।
এদিকে চান্দিয়া গ্রামে ইটভাট নির্মানে এসব নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে শুধুমাত্র পেশীশক্তি খাটিয়ে ভাটা স্থাপনের পায়তারা চালিয়ে আসছে ওই স্বার্থন্বেশী মহলটি। এলাকাবাসী এ থেকে পরিত্রান পেতে উক্তস্থানে যাতে করে ইটভাটা নির্মান না হয়, এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক-গাইবান্ধা এর বরাবারে একটি লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।