বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য ও নকশায় বৈচিত্র্য আনতে হবে : ম্যাসে ফ্রাংকফুর্টের সিনি

856
gb

জিবি নিউজ 24 ডেস্ক //

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য ও নকশায় আরো গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী প্রতিষ্ঠান জার্মানিভিত্তিক ম্যাসে ফ্রাংকফুর্ট গ্রুপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টিফ্যান কুরজাওয়াস্টি।

কুরজাওয়াস্টি বলেন, বাংলাদেশের পণ্যের মান ও নকশা খারাপ নয়। অনেক দেশ এ দেশের পণ্যকে অনুকরণ করে। তবে প্রতিযোগিতার রপ্তানি বাণিজ্যে শক্ত অবস্থানের জন্য পণ্যের নকশা ও বৈচিত্র্যে নতুনত্ব আনতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মেসে ফ্রাংকফুর্ট গ্রুপের বিপণন যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক এরডমান কিলিয়ান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও পাকিস্তানের আঞ্চলিক প্রধান ওমর সালাহ উদ্দিন ও বাংলাদেশের পরিচালক নাজনীন সালাহ উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্টিফ্যান কুরজাওয়াস্টি বলেন, রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিপণন নেটওয়ার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানা এবং সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ হয় উদ্যোক্তাদের। ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ এমনকি সরাসরি রপ্তানি আদেশ পাওয়ার সুযোগও সৃষ্টি হয়।

এ প্রসঙ্গে কুরজাওয়াস্টি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির ফ্রাংকফুর্টে অনুষ্ঠেয় ভোগ্য পণ্যের বিশ্বব্যাপী বৃহত্তম বাণিজ্য মেলা অ্যামবিয়ান্টে অংশ নিতে পারেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। আমদানিকারক ব্যবসায়ীরাও বিশ্বমানের ভোগ্য পণ্য সম্পর্কে ধারণা পাবেন। অ্যামবিয়ান্টের বিভিন্ন সেবার বর্ণনা দিয়ে কুরজাওয়াস্টি বলেন, বাণিজ্যপ্রবণতা, ফ্যাশন, ভোক্তা চাহিদা, রঙের প্রাধান্য—এসব ছাড়াও বাণিজ্য সহায়ক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা দেবে মেসে ফ্রাংকফুর্ট। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পক্ষ থেকেও এই মেলায় অংশ নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। এসব কারণে কয়েক বছর ধরে অ্যামবিয়ান্টে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। আগামী দিনে অন্তত ৪০টি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More