ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

374
gb
জিবিনিউজ ডেস্ক::

রাশিয়ার সেনাবাহিনী দেশটির ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ মোতায়েন করেছে। রুশ বার্তা সংস্থা ইজভেস্তিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা দিবসকে সামনে রেখে শনিবার এ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়।

বার্তা সংস্থা আরো জানায়, ক্রিমিয়ার বন্দরনগরী সেভাস্তোপোলে আগে থেকে মোতায়েন করা দু’টি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘এস-৪০০’ ও ‘প্যান্টসির-এস১’-এর মোড়ক শনিবার উন্মোচন করা হয়। চলতি বছরের গোড়ার দিকে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রের ইউক্রেন সীমান্তে এস-৪০০ মোতায়েন করা হয়।

রাশিয়ার সর্বাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত এস-৪০০ চার দিকের ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের যেকোনো ধরনের বিমান শনাক্ত ও ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। সেই সাথে শত্রুপক্ষের নিক্ষিপ্ত যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্রকেও ৬০ কিলোমিটার দূরে থাকতেই ধ্বংস করে দিতে পারে এ ব্যবস্থা।
অতি সম্প্রতি রাশিয়া চীনের কাছে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে। ভারত ও তুরস্ক রাশিয়ার কাছ থেকে এ ব্যবস্থা কেনার চুক্তি করেছে। এ ছাড়া প্যান্টসির-এস১ হচ্ছে রাশিয়ার আরেকটি মধ্যমপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ভ্রাম্যমাণ প্লাটফর্ম থেকে নিক্ষেপ করা সম্ভব।

২০১৪ সালের গোড়ার দিকে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিত এক গণভোটের জেরে এটিকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তার আগ পর্যন্ত প্রজাতন্ত্রটি ইউক্রেনের অংশ ছিল। রুশ ফেডারেশনে ক্রিমিয়ার অন্তর্ভুক্তির জেরে আমেরিকা ও ইউরোপ রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এ ছাড়া ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাশ্চাত্যের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কে যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয় তা আজো পুরোপুরি দূর হয়নি।

গাড়ি হামলাকারীর উদ্দেশ্য জানতে পারেনি জার্মান পুলিশ
রয়টার্স
জার্মানির মুয়েনস্টার শহরে শনিবার পথচারীদের ওপর চলন্ত ভ্যান তুলে দেয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন হামলাকারীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়ার চেষ্টা করছেন। শনিবারের ওই হামলায় দুইজন নিহতের পর নিজের গুলিতে নিহত হন হামলাকারী ইয়েনস। পিস্তল দিয়ে গাড়ির ভেতরে বসেই আত্মহত্যা করেন তিনি। নিহত অন্য দুইজনের মধ্যে একজনের বয়স ৫১ বছর। আরেকজনের বয়স ৬৫ বছর।

এ ঘটনায় আহত হন আরো ৩০ জন। তাদের মধ্য অন্তত ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার পর ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী। শহরের আকাশে টহল দেয় পুলিশের একাধিক হেলিকপ্টার। মুয়েনস্টার পুলিশের সাথে দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে সিনিয়র পাবলিক প্রসিকিউটর মার্টিন বটজেনহার্ডট বলেন, তদন্ত পূর্ণোদ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এটি বলা যায় যে, এখন পর্যন্ত ওই হামলাকারীর অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কোনো অতীত ইতিহাস পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নিহত হামলাকারীর নাম জেনস আর। তার বয়স ৪৮। কোনো কোনো খবরে বলা হচ্ছে, হামলাকারী ইয়েনসের মানসিক সমস্যা ছিল।

আগেও তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। রোববার সকালে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ও রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলিরা নিশ্চিত করেন, ৪৮ বছরের ওই ব্যক্তি মুয়েনস্টারের বাসিন্দা ছিলেন। এর আগে অবশ্য নর্থ রাইন ভেস্টফালেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যারবার্ট রয়েল-ও জানান, হামলাকারী গাড়িচালক একজন জার্মান নাগরিক।