ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মুহূর্তে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন নেতানিয়াহু

gbn

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এবং ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আলোচনা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

এ বৈঠকে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে এমন একটি চুক্তির জন্য চাপ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা কেবল ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করাই নয়, ইরানের হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন কমানোর ব্যাপারটিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। 

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের নেতানিয়াহু বলেন, ‘এই আলোচনার মূল নীতিগুলো সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আমি প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্প) কাছে তুলে ধরব।

 

ইরান বলেছে, পশ্চিমা দেশগুলো যদি তাদের ওপর আরোপ করা কঠোর নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করে , যা তাদের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তাহলে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করবে না।

এই সফরটি ট্রাম্প পুনরায় দায়িত্ব নেওয়ার পর নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্রে ষষ্ঠ সফর। অন্য যেকোনো বিশ্বনেতার তুলনায় এটি সবচেয়ে বেশি।

 

ওয়াশিংটনে মঙ্গলবার পৌঁছনোর পর ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। 

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে বলেন, ইরান ইসরায়েলের জন্য অস্তিত্বের হুমকি স্বরুপ। তিনি এ অঞ্চলে তেহরানের প্রভাব কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে পদক্ষেপ নিতে চাপ দিয়ে আসছেন।

সফরের আগে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, যেকোনো আলোচনার মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সীমিত করা এবং ইরানের জোটভুক্ত গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

 

এই সফর এমন সময়ে হচ্ছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করেছেন, যদি তারা পারমাণবিক চুক্তিতে না পৌঁছয়, তাহলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর কথা ‘ভাবছেন’।

গত মাসে ইউএসএস অ্যাব্রাহাম লিঙ্কন বিমানবাহী জাহাজটি ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল। সে সময় ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দিয়েছিলেন, তারা যদি সরকারি ভাবে বৃহৎ বিক্ষোভ দমন বন্ধ না করে তাহলে হামলা চালানো হবে।

 

ট্রাম্প এক্সিওস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাদের একটি নৌবহর সেখানে যাচ্ছে এবং আরেকটি যেতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইরান চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী’ এবং কূটনৈতিক সমাধান এখনও সম্ভব।

ইসরায়েলের কর্মকর্তারা বলছেন, যদি ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক চুক্তি বাস্তবে না আসে, তবে তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার বিবেচনা করে রেখেছে।

জিবি নিউজ24ডেস্ক//

gbn

মন্তব্যসমূহ (০)


ব্রেকিং নিউজ

লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন