মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

232
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা:: গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, তার অহেতুক অন্যায় ও অশালিন আচরণে ওই অফিসের কর্মচারিরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
সে কারণেই সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ জেলা উপজেলা প্রশাসনের কাছে তদন্ত পূর্বক জরুরী ভিত্তিতে প্রতিকার দাবি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ ব্যাপারে ওই অফিসের অফিসের হিসাবরক্ষক কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার রোকন মিয়া, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এটিএম শফিউল কাফি, প্রশিক্ষক নীলিমা আকতার, অফিস সহায়ক আব্দুল হান্নান, রেহানা বেগম এসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও পলাশবাড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে পৃথক দুটি অভিযোগ দাখিল করেন।

এছাড়া ওই অভিযোগের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণার্থে ঢাকা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক, ঢাকা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক, জেলা প্রশাসক বরাবরেও প্রেরিত হয়।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, কোনো কারণ ছাড়াই মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কর্তৃক অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শফিউল কাফিকে চেয়ার দিয়ে শারীরিক লাঞ্ছিতের চেষ্টা করে এবং অফিস সহায়কদের কাছে বিল স্বাক্ষরের জন্য অর্থ দাবি করে। এছাড়া হিসাব রক্ষক কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার রোকন মিয়া এবং ইন্সট্রাক্টর নীলিমা আকতারকে রাজশাহীতে প্রশিক্ষণে পাঠায়। প্রশিক্ষণ শেষে তারা ভ্রমণ বিল প্রস্তুত করে তার স্বাক্ষরের জন্য গেলে তিনি স্বাক্ষর না করে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।
শুধু তাই নয়, আনুসাঙ্গিক খাতে অবৈধভাবে প্রতিমাসে ২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিল প্রস্তত করতে মৌখিক নির্দেশ দেয়। তার এ বেআইনী কাজে রাজি না হলে তিনি স্টাফদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং স্টাফদের বেতন সীটে স্বাক্ষর না করেই ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যান।
এছাড়া বিভিন্ন দিবসের নির্ধারিত বাজেট থাকা সত্বেও নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত করেন।