ইইউ-ব্রিটেন বিচ্ছেদের আর এক বছর

ডিভোর্সের দিন এগোচ্ছে সুর পাল্টাচ্ছে মে’র

347
gb

জিবিনিউজ ডেস্ক:: আগে ছিল এক রকম এখন অন্যরকম। ডিভোর্সের দিন যত ঘনিয়ে আসছে সুর পাল্টাতে শুরু করেছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের। ব্রেক্সিটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও গলা পাল্টাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ব্রিটেন-ইইউর মধ্যকার কিছু চুক্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। বিচ্ছেদের এক বছর আগে সরকারের এ রকম সিদ্ধান্ত ব্রেক্সিটের নেতিবাচক দিক বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

২০১৬ সালের জুলাই মাসে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী মে’র কাছে ব্রেক্সিটের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এটি আপনারা চরম ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখতে পারেন। এর কোনো নড়চড় হবে না। অবশ্যই এটি আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন দরজা উন্মুক্ত করবে। এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে নিয়ে আসবে।

তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপকে আপনারা রেড, হোয়াইট ও ব্লু ব্রেক্সিত বলতে পারেন। কারণ এর ফলে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ উভয়ের জন্য সুফল বয়ে নিয়ে আসবে। কিন্তু এখনকার মে’র কথাগুলোর সঙ্গে আগের কথার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

কয়েকদিন আগে তিনি ব্রেক্সিট নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলেন, নিশ্চয় আমাদের এই পদক্ষেপের ফলে ব্রিটেন-ইইউ উভয়েরই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও লোকসান হতে চলেছে। বিশেষ করে আর্থ-সামাজিক দিক ও অধিবাসীদের অবাধে যাতায়াতের ক্ষেত্রে। ব্রিটিশ ব্রেক্সিটবিষয়ক মন্ত্রী ডেভিড ডেভিস আগে ব্রেক্সিটের ব্যাপারে তেমন কোনো ক্ষতির সম্ভাবনার কথা না বললেও সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে অন্যরকম ইঙ্গিত দেন।

তিনি বলেন, এ পদক্ষেপের ফলে হয়তো বা সুদূর ভবিষ্যতে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। এদিকে আবার ব্রিটেন-ইইউর মধ্যকার কিছু চুক্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ইইউকে যুক্তরাজ্যের দেয়া বাজেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মে’ সরকার। নতুন করে তারা সিদ্ধান্ত নেয় ২০২০ সাল পর্যন্ত তারা বাজেট দেয়া চালু রাখবে। এর পরিমাণ প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলারের মতো।