ঝিনাইদহের সাধুহাটি ইউনিয়নে চলছে মাঠে মাঠে পুকুর খনন পানি নিষ্কাশনের অভাবে বরো মৌসুমে চাষাবাদ বন্ধ

218
gb

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহে সাধুহাটি ইউনিয়নে কৃষি আইন লঙ্ঘন করে মাঠের পর মাঠ পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বর্ষা মওসুমে হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নিচে ডুবে নষ্ট হবে বলে কৃষকেরা আশঙ্কা করছেন। ফসল রক্ষায় কৃষকেরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের এক শ্রেণীর মানুষ বেশ কয়েক বছর ধরে পুকুর খননের নামে ইটের ভাটায় মাটি বিক্রয় করে আবাদি জমি নষ্ট করছে। অন্যদিকে ধানিজমিতে পুকুর খনন করার কারণে পাশের জমির আবাদ নষ্ট হচ্ছে।সূত্র জানায়, অনেককেই বাধ্য হয়ে পুকুর খনন করতে হচ্ছে। কারণ মাঠের মধ্যে পুকুর খননের ফলে পাশের ধানিজমি ও অন্যান্য ফসল পানিতে ডুবে যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, যারা পুকুর খনন করছে তাদের অনেকেরই জমি নেই। অতিরিক্ত টাকার লোভ দেখিয়ে ইজারা নিয়ে পুকুর খনন করছে। সাধুহাটি ইউনিয়নের বংকিরার মাঠ,পোতাহাটির তালতলার মাঠ, মাগুরা পাড়ার মাঠ, নাথকুন্ডুর মাঠ, রাঙ্গির পোতার মাঠ, সাধুহাটি হাসপাতালের নিচের মাঠ ও বংকিরা হাড়োন ঘাটার ব্রিজের দুই মুখের সামনে পুকুর খনন করা হয়েছে। সাধুহাটি পাজা খুলার মাঠের মাটি বিক্রয় হচ্ছে ইটের ভাটায়, মামুনশিয়া, রাঙ্গিরপোতার ব্রিজের সামনে পুকুর খনন করা হচ্ছে। এলাকাবাসী বাধা দিলেও কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। পুকুর খননের জন্য সাধুহাটি কৃষি ফার্ম গত বছর হুমকির মুখে পড়ে। কৃষি খামারের চারপাশে পুকুর খনন করায় বর্ষাকালে আরো বেশি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে বলে খামারের উপপরিচালক মুজিবর রহমান জানান। এদিকে শত শত কৃষক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।এ বিষয় চেয়ারম্যান কাজী নাজীর উদ্দীন জানান, আমরা কৃষকদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ঝিনাইদহ উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা এলাকা পরিদর্শন করেছেন।  ঝিনাইদহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. খান মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান আমি মাঠ দেখে এসেছি তবে কৃষি জমি সংরক্ষণে আমার জোরালো অবস্থান আছে।