উপমহাদেশের স্বার্থেই কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন : মোস্তফা

36
gb

কাশ্মীরকে বলা হয়ে থাকে ভূস্বর্গ। কিন্তু সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি মানুষসৃষ্ট রাজনীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এখনও হচ্ছে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, উপমহাদেশের স্বার্থেই কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর ছোট-বড় প্রায় প্রতিটি দেশই সমস্বরে ভারতের পাশে থেকে এ সমস্যা সমাধান করতে চায়। যেহেতু পৃথিবীর এই মুহূর্তের সবেচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সন্ত্রাস, তাই এটাকে যে কোনোভাবে প্রতিহত করতে হবে। এ দাবিতে সোচ্চার জাতিসংঘের প্রায় প্রতিটি সদস্য দেশ।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় মানবাধিকার সমিতি, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদ, জাগো বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন, ইয়েস বাংলাদেশ, এশিয়া স্বপ্নপুরী ফাউন্ডেশন এবং ৭১ মিডিয়া ভিশনের যৌথ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘কাশ্মীর সমস্যা ভারতের অভ্যন্তরীণ এবং ভারতকেই এই সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে হবে’ ব্যানারে মানববন্ধনে ইয়েস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ইয়েস বাংলাদেশের শাহারুল ইসলাম রকি, জাগো বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পবন আক্তার, এশিয়া স্বপ্নপুরী ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান এজে আলমগীর, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, ৭১ মিডিয়া ভিশন সাধারণ সম্পাদক আর কে রিপন প্রমুখ।

তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের অন্যতম প্রতিবেশী দেশ। ১৯৭১ সাল থেকেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারতের সু-সম্পর্কের কারণেই কাশ্মীর ইস্যুকে আমরা শুধুই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় ভাবতে চাই এবং এর ভেতরেই রাখতে চাই। কিন্তু কিছু ষড়যন্ত্রকারী কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে দেশের একটি বিশেষ দূতাবাসের ব্যক্তিবর্গের যোগসাজশে বাংলাদেশে ভারতবিদ্বেষী মনোভাব তৈরি করছে। এটি তরান্বিত হলে সময়ের ব্যবধানে দুই দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ক্ষেত্রে অন্তরায় সৃষ্টি হতে পারে।’

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ, যারা কাশ্মীর উপত্যকা, জম্মু, শ্রীনগর, লাদাখ এবং আজাদ কাশ্মীরে বসবাস করছে, তাদের কথা তো কেউ কখনও বলছে না। তারা আসলে কী চায় এই প্রশ্নটুকুও কেউ করছে না। যে ভারত বা পাকিস্তান আজ কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে নাটক মঞ্চায়িত করছে, সেই ভারত ও পাকিস্তানকে ১৯০ বছর ব্রিটিশ শাসনের পরাধীনতার ঘানি টানতে হয়েছিল। স্বাধীনতা ও স্বাধিকারের মূল্য তাদের সবচেয়ে ভালো বোঝার কথা।

বক্তারা বলেন, ‘ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর হতে সবচেয়ে বেশি এবং সরাসরি উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে ইসলামাবাদের। তাদের এই উদ্বেগের বিষয়টি তাদের বিবেচনায় যৌক্তিক বলেই তারা বলে আসছেন এবং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে আমরা মনে করি। আর সেই কারণে আমরা বলতে চাই, কাশ্মীর ইস্যু ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক ও অভ্যন্তরীণ বিষয় বলেই আমরা মনে করতে চাই।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন