চার দেশের মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনা ছিল ইরানের

89
gb

জিবিনিউজ 24 ডেস্ক//

ইরান চারটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলা করতে চেয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, পরিকল্পনাটি জেনে ফেলার পরই ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে ৩ জানুয়ারি রাতে হত্যা করা হয়। এদিকে ৮ জানুয়ারি ভুলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইউক্রেনীয় বিমান ভূপাতিত করার জন্য ইরান গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে ।

দায় স্বীকার : তেহরানের ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর ১৭৬ আরোহীসহ বিধ্বস্ত হয় ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের ওই বোয়িং-৭৩৭ বিমান। ভুলক্রমে ওই বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয় বলে স্বীকার করে ইরানের সেনাবাহিনী। দায় স্বীকারের পর ‘গভীর দুঃখ প্রকাশ’ করছে তেহরান কর্তৃপক্ষ। এক টুইটবার্তায় ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ‘আমার সব ধ্যান ও প্রার্থনা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি। আমি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’ এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফও টুইটবার্তায় দায় স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন। যে রাতে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়, সেই একই রাতে ইরানের আরেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে ইয়েমেনে হত্যার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই সূত্রের বরাতে খবরটি প্রকাশ করেছে সিএনএন। ওই দুই সূত্র হলেন মার্কিন কর্মকর্তা। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওই মিশন নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে অপর মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের অভিজাত বাহিনী কুদস ফোর্সের কমান্ডার সোলাইমানিকে হত্যা ছাড়া ওইরাতে আর বড় ধরনের কোনো অপারেশন চালানো হয়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র রেবেকা রেবারিখ সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি ইয়েমেনে মার্কিন অভিযানের প্রতিবেদন দেখেছেন। কিন্তু ওই অভিযানের সত্যতা কিংবা তা নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। অন্যদিকে ইরান চারটি মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনা করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প। ইরানের এ পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে কাশেম সোলাইমানি হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে ইরানের নির্মাণসামগ্রী, উৎপাদিত পণ্য ও খনিজশিল্পের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফক্স নিউজের বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, ইরানি জেনারেল সোলাইমানি হত্যার সময় চারটি মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনা ছিল ইরানের। এ হুমকি যুক্তরাষ্ট্রকে ৩ জানুয়ারির ড্রোন হামলার দিকে ঠেলে নিয়েছে কিনা, প্রশ্ন করা হলে জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সেটা বলতে পারি। আমার বিশ্বাস (হামলার পরিকল্পনায় ছিল) চারটি দূতাবাস।’

যুক্তরাষ্ট্রের ‘না’ : ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো ইচ্ছা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধের জবাবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশটিতে ন্যাটো সেনা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে, গেল বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে ফোনালাপে ইরাক পার্লামেন্টে পাস হওয়া বিলের ভিত্তিতে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে অনুরোধ করেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল-মাহদি। তবে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে ইরাকে সেনা মোতায়েনের বিষয়টিকে সঠিক বলে দাবি করা হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন