মামলা-মোকাদ্দমার প্রভাব পড়ছে মুশফিকদের খেলায়: বিসিবি সভাপতি

6,123
gb

যে মুহর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রায় অপরিচিত কন্ডিশনে সিরিজ খেলতে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, সেই মুহূর্তে দেশে আইনী জটিলতা নিয়ে মাথা খারাপ অবস্থা বিসিবি প্রেসিডেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সকলের। বিসিবির সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুমোদন পেয়েছে আজ।

এটা অনুমোদান না দিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে আইনী নোটিশ দিয়েছিলেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। এসব নিয়ে নতুন করে চলছে আইনী প্রক্রিয়া। এর মধ্যে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন, এসব মামলা মোকাদ্দমার প্রভাব পড়ছে মুশফিকদের মাঠের খেলায়!

আজ বুধবার বিসিবি কার্যালয়ে কিছুটা ক্ষোভের সাথেই বিসিবি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ধ্বংস করা ছাড়া এসবের কোনো উদ্দেশ্য নেই। এগুলোর প্রভাব কিন্তু সব জায়গায় পড়ছে। আজ যদি মামলা না থাকত, এজিএম আগেই করে ফেলতাম। নির্বাচন আগেই ঘোষণা করে ফেলতাম। আপনারা জানেন, আমি নিজে খেলা দেখতে যাই। দলের সঙ্গে সব সময়ই থাকি, তাদের উৎসাহ দিই। তাদের একটু সাহস জোগাই।

এই তাড়াহুড়ো করে এজিএম ডাকার জন্য এবার আমরা কেউ যেতেও পারলাম না। ‘

অনেকদিন ধরেই দেশের ক্রিকেট কাঠামো আইনী জটিলতা থেকে মুক্ত হতে পারছে না। দেশের ক্রিকেটের এই উত্থানলগ্নে এমন জটিলতায় ক্ষুব্ধ বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘খুব খারাপ লাগছে দক্ষিণ আফ্রিকার মতো জায়গায় ওরা একা খেলছে। সেখানে বোর্ডের (কর্তা) কেউ নেই। এমন কখনো হয় না। ওরা খেলছেও ভিন্ন পরিবেশে। ওদের মধ্যে একটু হয়তো ভয়ও আছে।  এসবের একটা প্রভাব মাঠের খেলায় পড়ে। এই সময়েও তো ওদের পাশে আমাদের থাকার দরকার ছিল। এই যেসব খবর (মামলা বিষয়ক) মাথার মধ্যে কি ঢোকে না? খেলোয়াড়দের মধ্যেও ঢুকছে!’

আজ সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুমোদনের পর কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বিসিবি সভাপতি ও তার পারিষদরা। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনও ঘোষণা করা হবে। ক্ষোভের ঝড় থামলে নাজমুল হাসান জানালেন, দেশে থেকেই ক্রিকেটারদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখছেন তিনি। তাদেরকে উৎসাহ দিচ্ছেন। কিন্তু আরও একটা অবাক করা কথা বলেছেন তিনি। সেটা হলো, ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদীন আর টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ছাড়া নাকি কাউকে তিনি ফোনে পাচ্ছেন না!