সৈয়দ নাজমুল হাসান, ঢাকা ||
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুইদিন পর জামিনে মুক্তি পেলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির অন্তর্গত কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি'র নবগঠিত কমিটির আহবায়ক জননেতা মোহাম্মদ নাঈম।
আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। এ সময় কারাফটকে হাজার হাজার নেতাকর্মীর ঢল নামে, প্রিয় নেতার মুক্তিতে খুশিতে আত্মহারা নেতাকর্মীরা।
আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে দায়ের করা ৩টি মিথ্যা মামলায় ১০ বছর ৬ মাসের সাজা মাথায় নিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির অন্তর্গত কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি'র নবগঠিত কমিটির আহবায়ক জননেতা মোহাম্মদ নাঈমকে কারাগারে পাঠান আদালত।
গত ২৪ নভেম্বর সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সহকারি পিপি আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খানের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে মহামান্য আদালত মোহাম্মদ নাঈমকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ওই ৩টি মিথ্যা মামলায় পুনরায় জামিন শুনানি হলে আদালত তাকে জামিন দেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ দুপুরে তাকে কারামুক্ত করা হয়।
কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে মোহাম্মদ নাঈম বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সারাদেশকে কারাগারে পরিণত করেছে।মিথ্যা, বানোয়াট ও নিবর্তনমূলক তিনটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় আমাকে ১০ বছর ৬ মাস সাজা দেয়া হয়েছিলো। এবং আমার বিরুদ্ধে বিগত ১৭ বছরে প্রায় শতাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। আজ আমি আমার নেতাকর্মীরাদের ভালবাসা ও জনগনের দোয়ায় মুক্তি পেয়েছি।"
এসময় কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কামরাঙ্গীরচর থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) কামরাঙ্গীরচর থানার নবগঠিত কমিটির আহবায়ক জননেতা মোহাম্মদ নাঈমের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি, অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী সংগঠন। সমাবেশে নেতৃবৃন্দরা বলেন, "অবিলম্বে সকল রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে মোহাম্মদ নাঈমসহ সকল জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।"

মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন