ডিভোর্স হয়ে গেছে লাক্স তারকা বাঁধনের

606
gb

সম্প্রতি লাক্স তারকা লাক্স তারকা আজমেরী হক বাঁধন গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে কিছু ব্যক্তিগত কথাও প্রকাশ করে ফেলেন। যার প্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তারা নিজেরা আলাদা হয়ে গেছেন।

২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানকিভাবেই বিচ্ছেদ হয়েছে বাঁধন ও মাশরুর সিদ্দিকীর। দীর্ঘদিন এ ঘটনা চেপে রেখেছিলেন বাঁধন ও তার স্বামী, সম্প্রতি মাশরুরের গোপন বিয়ে ও মেয়েকে নিজের কাছে রাখার জন্য বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন বাঁধন।

জানা গেছে, কিছুদিন আগে  সংসার জোড়া লাগাতে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন বাঁধন। কিন্তু সেখান থেকে নিরাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে তাঁকে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন,  মেয়েকে তার বাবা আর মাকে একসঙ্গে কাছে পাওয়ার সুযোগ করে দিতে, ভাঙা ঘর জোড়া লাগাতে মাশরুরের সঙ্গে মেয়েকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলাম। আর ফেসবুকে প্রকাশিত ছবিগুলো মালয়েশিয়ায় সায়রার বাবার তোলা। ‘

২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ব্যবসায়ী মাশরুর সিদ্দিকীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পারিবারিকভাবেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি। এরপর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন।

বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদনটি করেছিলেন ২০১৪ সালের আগস্টের ১০ তারিখ। বিচ্ছেদ চাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর ৯০ দিন পার হয়ে গেলেও দুই পক্ষের কেউই আপোস মীমাংসার জন্য উপস্থিত হননি এবং কোনো আবেদন করেননি। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই বিচ্ছেদটি গৃহীত হয় ২৬ নভেম্বর। তবে ডিভোর্স সার্টিফিকেটে বিচ্ছেদের তারিখ হিসেবে ১০ আগস্টকেই গণ্য করা হয়েছে।

এই ঘটনাকে চেপে যাওয়ার কারণ হিসেবে বাঁধন বলেছেন মেয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব যাতে না পড়ে তার জন্যই বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে আলোচনা করতে সম্মত হননি। তিনি বলেন, ‘কিন্তু যখন দেখছি মেয়ের বাবা ওকে আমার কাছ থেকে সরিয়ে নিতে চাইছে বাধ্য হয়েই তখন প্রকাশ্যে আসতে হলো। ’

বাঁধন বলেন, ‘মালয়েশিয়া থেকে ফেরার কিছুদিন পর জানতে পারি মাশরুর আরেকটি বিয়ে করেছে। তার বর্তমান স্ত্রী কানাডার নাগরিক। কিন্তু এই বিষয়ে মাশরুর এতদিন আমাকে কিছুই জানতে দেয়নি। এখন মাশরুর সিদ্দিকী মেয়ে সায়রাকে কানাডায় নিয়ে যেতে চান বলেও জানান বাঁধন।   বলেন,মাশরুর তার বর্তমান স্ত্রীর সঙ্গে কানাডায় বসবাস করার পরিকল্পনা করেছে। সঙ্গে সায়রাকে নিয়ে যেতে চায়। মেয়ের জন্মের পর কোনো খোঁজ রাখেনি ও। এখন হঠাৎ মেয়েকে দেশ ছাড়া করতে চাইছে। ‘

তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। কারণ এ ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই। আমি পারিবারিক আদালতে মামলা করেছি। মামলাটি এখন চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মেয়েকে আমার কাছে রাখতে চাই। তারপরের সিদ্ধান্ত মেয়ের। ’