254
gb

ইয়ানূর রহমান :

যশোরের শার্শার নাভারনে সোহাগ হোসেন (১৯) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি পেঁচিয়ে সে আত্মহত্যা করে। সোহাগ হোসেন যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ দক্ষিণ বুরুজ বাগান গ্রামের কামাল হোসেন ছেলে। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় সোহাগ রাতে বাড়িতে এসে রাতের খাবার খেয়ে নিজের ঘরে ঘুমাতে যায়। সকালে নির্ধারিত সময়ে না উঠায় পরিবারের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে। এসময় ভিতর থেকে কোন সাড়াশব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হলে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকতে চাইলে দরজার সিটকানি খোলা পাওয়া যায় এবং ভিতরে প্রবেশ করতেই সোহাগ হোসেনর ঝুলন্ত মৃতদেহ চোখে পড়ে। তাক্ষনিক চিৎকারে প্রতিবেশিরা সোহাগের ঝুলন্ত মৃতদেহটি দেখতে ছুটে আসে। এদিকে সোহাগ হোসেন আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে মেরে কেউ ঘরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়রা জানান, সোহাগ হোসেনের নিথর দেহ যখন ঝুলছিল তখন তার পা ভাজ হয়ে মাটিতে লাগানো ছিল। এলাকাবাসী ও তার পরিবারের লোকজন একাধিক মন্তব্য করে বলেন সোহাগকে কেউ হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে শার্শা থানার এস আই আনোয়ার হোসেন জানান, নিহত সোহাগের আত্মহত্যা স্বাভাবিক নয় বলে মনে হচ্ছে। আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা ক্ষতিয়ে দেখতে লাশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট আসলেই সঠিক কারণ জানা যাবে। #