Bangla Newspaper

কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল’র ১০১টি সঙ্গীতের গ্রন্থ তেতুল : প্রাসঙ্গিক কথা এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন

111

কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল’র প্রথম সঙ্গীতগ্রন্থ ‘আমরা ঘরর তাইন’। এ পর্যন্ত প্রকাশিত ১। আমরা ঘরর তাইন, ২। মতলবর চাচা, ৩। লন্ডনী ভাইছাব, ৪। প্রেমেরই কাঙ্গাল, ৫। মুখোশ, ৬। প্রতিচ্ছবি, ৭। মজলুমের আর্তনাদ নামক সাত সাতটি সঙ্গীতের অ্যালবামের মধ্যে প্রথম অ্যালবামের নামও ‘আমরা ঘরর তাইন’। অ্যালবামগুলি এবং গ্রন্থটি বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, জাপানসহ দেশ বিদেশের অগণিত পাঠক ও শ্রুতাদের আকর্ষন করে চুম্বকের মতো। রেকর্ড সংখ্যক মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন শহরে।

২০১৮’র একুশে বইমেলায় সঙ্গীত পিপাসুদের জন্য কবির হাজারো সঙ্গীতের মধ্য হতে বাছাই করা ভিন্ন আমেজের জনপ্রিয় ১০১টি গান নিয়ে প্রকাশিত হয় ২য় সঙ্গীত গ্রন্থ তেতুল। গ্রন্থটির ভুমিকায় বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ সিরাজুল হক লিখেন, ৭১এর বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল নিজ মেধা যোগ্যতা ও কর্মতৎপরতার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অর্জন করেছেন ঈর্ষনীয় সাফল্য। লেখক কবি সাংবাদিক কলামিষ্ট গীতিকার সুরকার পূঁথিকার ছাড়াও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সিলেটের এ আলোকিত সন্তান একজন সফল সুদক্ষ সংগঠক ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী।

সিলেট বিভাগের মেধাবী তরুন কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘সিলেট লেখক ফোরাম’, বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তানদের নিয়ে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম’ এবং ২০১৭ সালে বিজয়ের মাসে আর্ত মানবতার সেবার ব্রত নিয়ে গঠন করেন ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা এম আলী ফাউন্ডেশন’। এছাড়া বিশ্বনাথের ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের দাবী বাস্তবায়নের জন্য ২০০৯ সালে বিশ্বনাথের আলোকিত সন্তানদের নিয়ে গঠন করেন ‘বিশ্বনাথ উপজেলা গ্যাস বাস্তবায়ন পরিষদ’।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনগুলির মাধ্যমে পালন করে যাচ্ছেন সাহিত্য সংস্কৃতি ও সমাজ উন্নয়নমুলক সৃজনশীল নানা কর্মসূচি। যা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে দেশ বিদেশের গুণীজনদের মধ্যে। আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসবের সফল আয়োজন, লেখক কবি সাহিত্যিক ও গুণীজন সম্মাননা, প্রয়াত গুণীদের সম্মানে তাদের স্মৃতিময় ঐতিহাসিক স্থানসমুহে বিশেষকরে শীতালংশাহ, দুরবীনশাহ, হাছন রাজা, আবদুুল করিম, রাধারমণ, নূরুল হক’র বাড়ীতে গিয়ে সফল অনুষ্ঠান আয়োজন। আলোকিত মা-বাবা সম্মাননা, মেধাবীদের সম্মাননা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান, পরিবেশ রক্ষায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপনের আয়োজন, ফলজ ঔষধী ও পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ রোপনের জন্য সামাজিক আন্দোলন, অসহায়দের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ফ্রি ঔষধপত্র প্রদান। চিকিৎসা সহায়তা, বিবাহ সহায়তা, প্রতিবন্ধিদের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ, আবহমান গ্রাম বাংলার বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে লালন করতে পিঠা ও ঘুড়ি উৎসবসহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন। ক্রীড়াক্ষেত্রে সহযোগিতা ও বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়ানুষ্ঠানের আয়োজন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী, টিফিন বক্স এবং নির্যাতিত নীপিড়িত অসহায়দের মধ্যে শীতবস্ত্রসহ সাহায্য বিতরণ এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো, বিশ্বনাথের ঘরে ঘরে গ্যস সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ, বাসিয়া নদী রক্ষা ও খননসহ বিশ্বনাথবাসীর সকল ন্যায্য দাবী দাওয়া আদায়ে আন্দোলন, দক্ষ জনসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, সেলাই মেশিন বিতরণসহ বহুমুখী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

ব্যবস্থাপকদ্বয় লিখেন, বাংলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি মহল্লায়, প্রতিটি অঞ্চলে আমরা ঘরর তাইনদের নির্যাতনে সহজ সরল সাধারন মানুষ অতিষ্ঠ। লেখকের নিজ এলাকায়ও ‘আমরা ঘরর তাইন’র হিং¯্র ছোবলে জনসাধারন তটস্থ। ‘আমরা ঘরর তাইন’ অ্যালবাম এবং গ্রন্থটি আলোর মুখ দেখার সাথে সাথেই তেলে বেগুণে জ্বলে উঠে ‘আমরা ঘরর তাইন’ ছদ্দনামের হিং¯্র হায়েনা ও তার প্রেতাত্মারা। ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান গীতিকার কবি নাজমুল ও তাঁর পরিবারকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে রাতের আধারে গৃহপালিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, সঙ্গীতগুলিতে উল্লেখিত সেই কুৎসিত চরিত্রের মঞ্চায়ন করতে থাকে একে একে।

সালিশী বিচারের নামে নীরিহ জনসাধারনদের হেনস্থা করার খড়গ চালায় খোদ লেখকের উপর। প্রতিরোধ বা আইনী সহায়তা লাভের জন্য শুভাকাঙ্খীদের পরামর্শ স্বত্ত্বেও লেখনির মাধ্যমে সমাজের বাস্তব প্রতিচ্ছবি তুলে আনতে, লেখার মাল মশলা এবং উপকরণের জন্যই জীবন বাজী রেখে চ্যালেঞ্জের সাথে নীরবে তা সহ্য করতে থাকেন লেখক। লেখকের উপর হায়েনাদের কুৎসিত আচরন লেখার গতিকে করে আরও শানিত। ফলশ্রুতিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মানুষ নামের পশুগুলির হিং¯্র আচরন সঙ্গীতের মাধ্যমে তুলে ধরে ভিন্ন ধারার ভিন্ন আমেজের সহ¯্রাধিক সঙ্গীত উপহার দিয়ে

Comments
Loading...