পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে ইমরান খান

204
gb

জিবি নিউজ 24 ডেস্ক //

পাকিস্তানের অন্যতম সফল ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খান। দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতিতে জড়িত হয়েছেন। তবে এবার তার সাফল্য হাতের নাগালে চলে এসেছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এগিয়ে রয়েছে ১১৩ আসনে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এগিয়ে রয়েছে ৬৪ আসনে। আর বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৪৩ আসনে।

ইমরান খানের সরকার গঠন করার জন্য প্রয়োজন ১৩৭ আসনে জয়। তবে তার পার্টি যদি পুরোপুরি ১৩৭টি আসন না পায় তাহলে ঝুলন্ত পার্লামেন্টের কিংবা জোট সরকারের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জোট সরকার হলেও পাকিস্তানে ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে এখন প্রধানমন্ত্রী হয়ে নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন পুরো দেশ। সেনাশক্তিতে হোক আর কপালজোরেই হোক- জয়ের মালা উঠছে ইমরান খানের গলাতেই, এমনটাই বলছেন পর্যবেক্ষকরা।

সে কথাই বলছে নির্বাচনের বেসরকারি ফল। শেষ খবরের ফলাফলে দেখা গেছে, ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পেতে যাচ্ছে ১০৫ আসন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) পাচ্ছে ৭১ আসন। আর বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৩৯ ও অন্যরা ৫৭ আসন। সরকার গঠন করার জন্য প্রয়োজন ১৩৭ আসনে জয়।

তবে ইমরান খানের দল এগিয়ে থাকলেও সম্পূর্ণভাবে সংখ্যাগরিষ্টতা পাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ফলে নির্বাচনে আরেক সমস্যা ভর করছে পাকিস্তানে। কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। ঝুলন্ত পার্লামেন্ট গঠিত হতে পারে দেশটিতে। সেক্ষেত্রে জোট সরকার আসবে পাকিস্তানে। সরকার গঠন করতে পিপিপিকে বাদ দিলে ইমরানকে অন্য দুই বা ততধিক দলকে কাছে টানতে হবে। কারণ প্রয়োজনীয় আসন পূরণে অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা খুবই সীমিত। পাকিস্তানের পার্লামেন্ট কত দিন ঝুলে থাকবে- সেটা এখন অনেকটা অনিশ্চিত।

অনেকেই আশা করছেন, রাজনৈতিক সংকটে ইমরান তার অভিজ্ঞতা দিয়ে যত দ্রুত অন্য দলগুলো বাগে আনতে পারবেন, তত দ্রুতই এর সমাধান হবে। এখন তাই পর্যবেক্ষকরা অপেক্ষা করছেন সম্পূর্ণ ফলাফল প্রকাশের। অবশ্য নির্বাচনে ফলাফল প্রকাশে অন্যান্যবারের চেয়ে এবার দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম।