পলাশবাড়ী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সঠিক তদারকি না থাকায় ব্যাপক অনিয়ম

141
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলারপ্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঠিক তদারকিনা থাকায় ব্যাপক অনিয়ম অব্যাহত রয়েছে।সরেজিমন তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নেবাড়াইপাড়া ১, ২ ও কিশোগরাড়ী ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী ২নং
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয় সঠিক সময়েউপস্থিতি এবং সঠিক সময়ে বন্ধ করে যাওয়া নিয়ে অব্যাহত অনিয়ম
লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষকরা যখন খুশি বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায়স্বাক্ষর দিয়ে নিজের ইচ্ছামত বিদ্যালয় ত্যাগ করে। উপজেলার
অধিকাংশ বিদ্যালয় গুলোতেই একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। শনিবার সকালসাড়ে ৯টায় বাড়াইপাড়া ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে
কোন শিক্ষককেই উপস্থিত পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকমাহামুদা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন স্কুল
চলছে, চলবে-সবাই আসবে। অপরদিকে বাড়াইপাড়া ১নং বিদ্যালয়েরওএকই অবস্থা। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমানকে সহকারশিক্ষক আব্দুল গোফ্ধসঢ়;ফার ও রোসনা বেগমের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা তারাতাদের নিজের প্রতি অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেন। প্রধান শিক্ষক আরো বলেনঅনেক বার যথাসময়ে বিদ্যালয়ে আশার জন্য শিক্ষকদের বলেছি। কিন্তারা সময়মত বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে না। পাশাপাশি ২টিবিদ্যালয়ের যথারীতি তদারকি না থাকায় শিক্ষকগণ অনিয়ম তান্ত্রিকভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান সরকার প্রাথমিক
বিদ্যালয় গুলো শিক্ষার মান উন্নয়নের বিভিন্ন পদপেক্ষ গ্রহণ করলেঅধিকাংশ শিক্ষকদের খাম-খেয়ালিপনায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার
মান প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছেশনিবার দুপুরে সরেজিমন কাশিয়াবাড়ী ২নং সরকারি প্রাথমিবিদ্যালয় গিয়ে দেখা যায়, দুপুর ২টার মধ্যে বিদ্যালয়ে তালাঝুঁলিয়ে সকল শিক্ষক চলে যায়। এ ব্যাপারে অত্র বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষনুরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার
করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার একেএম জাকিহোসেনকে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি দেখবেন বলে জানায়।
পরবর্তীতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল্যাহিশ শাফীমুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রশিক্ষণে আছেন বলে জানায়।
এদিকে শনিবার হতে বুধবার পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিদিসকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার ৯টা
থেকে আড়াইটা পর্যন্ত বিদ্যালয় চালুর নিয়ম থাকলেও তা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সচেতন
অভিভাবক জানান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের সঠিকতদারকি না থাকার কারণে বিদ্যালয়গুলো শিক্ষা ব্যবস্থার মান অবনতির
দিকে যাচ্ছে।