অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বৈশাখী উদযাপন

281
gb

সিডনি অলিম্পিক পার্কে অনুষ্ঠিত হল অস্ট্রেলিয়ার বৃহৎ বৈশাখী মেলা

নববর্ষ পৃথিবীর প্রায় সকল জাতিসত্ত্বার ঐতিহ্যের একটি অনিবার্য অংশ। বাঙালির ঐতিহ্যকে যে সকল উৎসব অনুষ্ঠান ধারণ করে আছে সেগুলির মধ্যে অন্যতমবাংলা নববর্ষ অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ। সুপ্রাচীনকাল থেকে বাঙালিরা বৈশাখ মাসের প্রথম দিনটিকে নববর্ষ হিসেবে পালন করে আসছে. নববর্ষ বাঙালির সহস্র বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, রীতিনীতি, প্রথা, আচার অনুষ্ঠান ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্ববৃহৎ সার্বজনীন উৎসব। বাঙালিরা এ দিনে পুরনো বছরের ব্যর্থতা, নৈরাশ্য, ক্লেদ-গ্লানি ভুলে গিয়ে নতুন বছরকে মহানন্দে বরণ করে নেয়, সমৃদ্ধি ও সুখময় জীবন প্রাপ্তির প্রত্যাশায়।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘প্রতিদিন মানুষ ক্ষুদ্র দীন একাকী। কিন্তু উৎসবের দিন মানুষ বৃহৎ, সেদিন সে সমস্ত মানুষের সঙ্গে একত্র হইয়া বৃহৎ, সেদিন সে সমস্ত মনুষ্যত্বের শক্তি অনুভব করিয়া মহৎ’।

কবিগুরু যথার্থই বলেছেন। উপলক্ষ যাই হোক না কেন, বাঙালির সকল উৎসবের মধ্যে একটা সর্বজনীন রূপ আছে। এতে ধর্ম, সম্প্রদায়, জাত-পাত বা ধনী-গরিবের সামাজিক বিভক্তি বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। বরং সকল শ্রেণির মধ্যে সেতুবন্ধন রচিত হয়। আর এ কারণেই কালের বিবর্তনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতার ধরন পাল্টালেও আবহমান বাংলার সামাজিক উৎসব, পার্বণ বা গণমানুষের মেলবন্ধনের ঐতিহ্য-কৃষ্টিগুলো আজও হারিয়ে যায়নি। মেলা মানেই মহামিলন। মানুষের উচ্ছ্বাস-উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ ঘটে মেলার মধ্য দিয়ে। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের উর্ধে উঠে মেলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দেয়। গত ১৪ এপ্রিল, শনিবার সিডনি অলিম্পিক পার্কে অনুষ্ঠিত হল বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত বৈশাখী মেলা। দীর্ঘ ২৫ বছরের যাত্রাপথে সিডনি বৈশাখী মেলা আজ এক অনন্য মহীরুহে পরিণত হয়েছেI অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে এই মেলার আয়োজন করে আসছে সংগঠনটি। ঐ দিন সকাল ১১টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলাটি চলে।

দর্শনার্থীদের মাতাতে বাংলাদেশ হতে আসেন বাউল সম্রাট কিরন চন্দ্র রায় এবং চন্দনা মজুমদার। বাংলাদেশি বিভিন্ন লোভনীয় খাবারের আয়োজন ছাড়াও দেশীয় পোশাকের দোকানসহ আকর্ষণীয় রকমারি বৈশাখী স্টল সবার নজর কারে। বিগত দিনের ধারাবাহিকতায় মেলবোর্ন, ব্রিসবেন, পার্থ, অ্যাডিলেডসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞল থেকে প্রায় হাজার বিশেক বাঙালি সমবেত হন এই ঐত্যিহ্যবাহী বৈশাখী মেলায়।

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোনে অনুষ্ঠিত হল বৈশাখী মেলা

বৈশাখী মেলা বাঙ্গালী সংস্কৃতির একটি খুবই পুরনো অনুষঙ্গ এবং ইতিমধ্যে তা আমাদের অন্যতম লোকঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এক সময় দেশের গ্রামাঞ্চলে ৩০ চৈত্র অর্থাৎ চৈত্রসংক্রান্তিতে যে মেলার আয়োজন করা হতো, সেটাই ক্রমান¦য়ে বৈশাখী মেলার রূপ ধারণ করে। পরে রবীন্দ্রনাথের উদ্যোগ ও স্পর্শে তা আরও মনোগ্রাহী ও দৃষ্টিনন্দন হয়ে ওঠে এবং বর্তমানে তা বাঙ্গালীর অন্যতম ও সর্বজনীন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে।বৈশাখ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। নতুন বর্ষকে বরণের পাশাপাশি উৎসবকে পরিপূর্ণতা দেয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা বাঙালির শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘প্রতিদিন মানুষ ক্ষুদ্র দীন একাকী। কিন্তু উৎসবের দিন মানুষ বৃহৎ, সেদিন সে সমস্ত মানুষের সঙ্গে একত্র হইয়া বৃহৎ, সেদিন সে সমস্ত মনুষ্যত্বের শক্তি অনুভব করিয়া মহৎ’।কবিগুরু যথার্থই বলেছেন। উপলক্ষ যাই হোক না কেন, বাঙালির সকল উৎসবের মধ্যে একটা সর্বজনীন রূপ আছে। এতে ধর্ম, সম্প্রদায়, জাত-পাত বা ধনী-গরিবের সামাজিক বিভক্তি বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। বরং সকল শ্রেণির মধ্যে সেতুবন্ধন রচিত হয়। আর এ কারণেই কালের বিবর্তনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতার ধরন পাল্টালেও আবহমান বাংলার সামাজিক উৎসব, পার্বণ বা গণমানুষের মেলবন্ধনের ঐতিহ্য-কৃষ্টিগুলো আজও হারিয়ে যায়নি। মেলা মানেই মহামিলন। মানুষের উচ্ছ্বাস-উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ ঘটে মেলার মধ্য দিয়ে। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের উর্ধে উঠে মেলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দেয়।

গত ১৪ এপ্রিল, মেলবোনে অনুষ্ঠিত হল বৈশাখী মেলা। মেলা আয়োজন করে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ভিক্টেরিয়া ঐ দিন সকাল ১১টা হতে রাত ৭টা পর্যন্ত মেলাটি চলে। বাংলাদেশি বিভিন্ন লোভনীয় খাবারের আয়োজন ছাড়াও দেশীয় পোশাকের দোকানসহ আকর্ষণীয় রকমারি বৈশাখী স্টল সবার নজর কারে। বিগত দিনের ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞল থেকে প্রায় হাজার বিশেক বাঙালি সমবেত হন এই ঐত্যিহ্যবাহী বৈশাখী মেলায়।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ল্যাকেম্বায় অনুষ্ঠিত হল বৈশাখী মেলা

মেলা মানেই মহামিলন। মানুষের উচ্ছ্বাস-উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ ঘটে মেলার মধ্য দিয়ে। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের উর্ধে উঠে মেলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দেয়। গত ১৪ এপ্রিল, সিডনির ল্যাকেম্বায় অনুষ্ঠিত হল বৈশাখী মেলা।
ঐ দিন সকাল ১০টা হতে ২টা পর্যন্ত মেলাটি চল।সিডনির ল্যাকেম্বায় বৈশাখী উৎসবের আয়োজক রেলওয়ে প্যারেড ব্যবসায়ী সমিতি।

বাংলাদেশি বিভিন্ন লোভনীয় খাবারের আয়োজন ছাড়াও দেশীয় পোশাকের দোকানসহ আকর্ষণীয় রকমারি বৈশাখী স্টল সবার নজর কারে। বিগত দিনের ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞল থেকে প্রায় হাজার বিশেক বাঙালি সমবেত হন এই ঐত্যিহ্যবাহী বৈশাখী মেলায়।