জাবিতে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাত্রলীগের মারধর

264
gb

জিবিনিউজ ডেস্ক:: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) কক্ষ ভাংচুরের অভিযোগ এনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সাবেক এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়েছে শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতা। মারধরের শিকার সালাউদ্দিন খায়রুল্লাহ (তুহিন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৪২ ব্যাচের শিক্ষার্থী। মারধরকারীরা হলেন শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অনিক কুমার (গণিত বিভাগ, ৪০ ব্যাচ) ও আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু (নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, ৪০ ব্যাচ)। তারা সবাই শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। রোববার সালাউদ্দিন খায়রুল্লাহ মারধরকারী দুই নেতার বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবার লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ৩০ মার্চ রাতে কে বা কারা আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজুর কক্ষ ভাংচুর করে। আমি জাকসু থেকে ফিরলে শনিবার রাত সাড়ে ১২টায় অনিক কুমার দেবনাথের নেতৃত্বে রাজু আমার কক্ষে আসে। তারা এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও রড দিয়ে আঘাত করে। আমি চিৎকার করলে অন্যরা এসে আমাকে উদ্ধার করে।

হলটির কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী জানান, শুক্রবার রাতে সালাউদ্দিন খায়রুল্লাহ মাতাল অবস্থায় রাজুর কক্ষ ভাংচুর করে। পরে শনিবার রাতে অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকে। এক পর্যায়ে রাজু সালাউদ্দিন খায়রুল্লাহকে ভূল স্বীকার করতে বললে সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং রাজুকে ধাক্কা দেয়। এরপর রাজু ও অনিক তাকে মারধর করে। ৪০ ব্যাচের র‌্যাগ নির্বাচনের সময় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজু ও তুহিনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সে ঘটনা থেকে কক্ষ ভাংচুর ও পরবর্তীতে মারধরের ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে।
অনিক ও রাজু বলেন, ‘আমরা তার কাছে জানতে যাই, সে কেন রুম ভাংচুর করেছে। সে ঘটনা স্বীকার না করে উল্টো ধাক্কা দেয়। এরপর ধাক্কাধাক্কি হয়। সে আগে ছাত্রদল করতো। পরে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে।’

সালাউদ্দিন খায়রুল্লাহ বলেন, তারা পরিকল্পনা করেই আমাকে মেরেছে। আমাকে মারার আগে অথবা পরে তারা নিজেদের রুম ভেঙ্গে এখন আমাকে দোষ দিচ্ছে।

প্রক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন বলেন, ঘটনাটি হলের অভ্যন্তরে ঘটায় আমরা অভিযোগপত্র হলের প্রভোস্টের কাছে পাঠিয়েছি। তিনিই তদন্ত করে দেখবেন।