বিশ্ব একাদশকে হারিয়ে সিরিজ জিতল পাকিস্তান

295
gb

ইন্ডিপেনডেন্ট কাপ নামে আয়োজিত বিশ্ব একাদশ ও পাকিস্তান একাদশের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজটি ছিল মূলত পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরানোর উপলক্ষ্য। যেখানে প্রথম ম্যাচটা পাকিস্তান আর দ্বিতীয় ম্যাচটা জিতেছিল বিশ্ব একাদশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ৩৩ রানে হেরেছে বিশ্ব একাদশ। ফলে, ২-১ এ সিরিজ জিতলো স্বাগতিক পাকিস্তান।

শুক্রবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে। বিশ্ব একাদশের হয়ে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেন নি। যেটা পেরেছেন পাকিস্তান আহমেদ শেহজাদ। ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ম্যাচে জয়-পরাজয়টা নির্ধারণ হয়েছে মূলত এখানেই।

ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিতে আসে ৬১ রান।

ওপেনার ফখর জামান ব্যক্তিগত ২৭ রান করে বিদায় নেন। ইনফর্ম ব্যাটসম্যান ওপেনার আহমেদ শেহজাদ আর দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাবর আজম দলকে সামনে দিকে টেনে নেন। ১০২ রানের জুটি গড়েন তারা। দলীয় ১৬৩ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। আউট হওয়ার আগে শেহজাদের ব্যাট থেকে আসে ৮৯ রান। তার ৫৫ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার আর ৩টি ছক্কার মার।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিশ্ব একাদশের ওপেনার তামিম ইকবাল শুরুটা করেছিলেন দারুণ। ইমাদ ওয়াসিমের করা প্রথম ওভারে ৩ চারে স্কোর বোর্ডে ১৩ রান যোগ করেন। কিন্তু পরের ওভারেই উসমান খানের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান বিশ্ব একাদশে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি। আরেক ওপেনার দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলাও ঝড়ো শুরু করেছিলেন। কিন্তু ১২ বলে ৩ চারে ২১ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন তিনি। রান আউটে কাটা পড়েন বিশ্ব একাদশের অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিও (১৩)।

এরপর আশা হয়েছিলেন মিলার ও ড্যারেন সামি। কিন্তু ১৭তম ওভারের শেষে বলে মিলার ফিরতেই বিশ্ব একাদশের জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। মিলার হাসান আলির বলে বাবর আজমের হাতে ক্যাচ হয়ে ফিরেছেন। ২৯ বলে ১ ছয় ও ২ চারে ৩২ রান করেন তিনি। সামি শেষ পর্যন্ত ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ২৩ বলের ইনিংসটিতে ছিল ২ চার ও ১ ছয়।

পাকিস্তানের পক্ষে হাসান আলি সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন। এছাড়া ইমাদ ওয়াসিম, উসমান খান ও রুম্মান রাইস ১টি উইকেট নেন।