ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র ছিলেন সমাজে মানুষ গড়ার কারিগর,ধমীয় রীতিনীর্তি মানুষকে সহনশীল ও দয়ালু হতে শিক্ষা দেয়

238
gb

                                                     নবীগঞ্জে ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের জন্ম উৎসবে ডক্টর রজত কান্তি ভট্টাচার্য্য

উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ থেকে ||

কুলাউড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ড. রজত কান্তি ভট্টাচার্য্য বলেন,ধমীয় রীতিনীর্তি মানুষকে সহনশীল ও দয়ালু হতে শিক্ষা দেয়। যুগপুরুষোত্তম ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র ছিলেন সমাজের গুড়ামী ও অজ্ঞতা দুর করে পরিবর্তনের মাধ্যমে মানব ধর্ম প্রতিষ্টার গুরু। সমাজের উচু-নীচু ভেদাভদ দুর করে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরী করার মুল কারিগর। তাই আজ বিশে^র বিভিন্ন দেশে ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের প্রতিষ্টিত সৎসঙ্গের আশ্রয়ে কোটি কোটি মানুষ আশ্রায়িত হয়ে তার রীতিনীতি অনুসরন করে চলছে। তিনি গত শনিবার সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলা সৎসঙ্গের উগ্যোগে কেন্দ্রীয় গোবিন্দ জিউড় আখড়ায় যুগপুরুষোত্তম পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনকুল চন্দ্রে ১৩০ তম জন্ম উৎসবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নবীগঞ্জ উপজেলা সৎসঙ্গের উৎসব কমিটির সভাপতি শিক্ষক রাখাল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি মৃম্ময় কান্তি দাশ বিজনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,সৎসঙ্গের প্রচারক অধ্যাপক আশোতোষ দাশ এসপিআর,শ্যামাপদ ভট্টাচার্য্য নেপাল এসপিআর,নিরঞ্জন চন্দ নেপাল এসপিআর অর্নিবান চৌধুরী অধুর্য্য, করুনাময় দেব ঝুনু অধুর্য্য। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ উপজেলা সৎসঙ্গের সাবেক সভাপতি ডাঃ মৃনাল কান্তি দাশ বাদল,সাবেক সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষরে সাধারন সম্পাদক উত্তম কুমার পাল হিমেল,সৎসঙ্গের সাবেক সাধারন সম্পাদক রশময় শীল। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব কমিটির সাধারন সম্পাদক তনয় কান্তি ঘোষ অঞ্জন। পরে উপজেলা সৎসঙ্গের সাবেক সাধারন সম্পাদক উত্তম কুমার পাল হিমেলের পরিচালনায় কুইজ প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের সিলেটের ফোক শিল্পী লাভলী দেব,চ্যানেল এস শিল্পী বিন্দু বাবু, ডাঃ মিহির লাল সরকার,পাপড়ী সরকার ভাবনা, গোপেশ চন্দ্র দাশ,সুনীল রায়, ডাঃ নরেশ চন্দ্র দাশ, উত্তম কুমার পাল হিমেল, ফুলন রানী দাশ,প্রদীপ চন্দ্র দাশ,লিটন শীল,মাধবী সরকার রিমি, রুবেল দেব,তমা রায় তুলি,লক্ষী পুর্নিমা দাশ ¯েœহা। পরে কুইজ প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুস্কার বিতরন করা হয়। বার্ষিক উৎসবের দিনব্যাপী অনুষ্টানমালার মধ্যে ছিল,সমবেত প্রার্থনা,বিশ^শান্তি কামনায় নামজপ,ঠাকুরের প্রতিকৃতিসহ মঙ্গল শোভাযাত্রা, ঠাকুর পুজা,ঠাকুরের ভাবাদর্শে চট্টগ্রামের কীর্তনীয় মৃনাল কান্তি দাশ ও তার দলের পরিবেশনায় লীলা কীর্তন, ভান্ডারায় মহাপ্রসাদ বিতরন,আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্টান। এতে সহ¯্রাধিক ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে। অনুষ্টানমালায় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নারায়ন রায়,গীতিকার জাহাঙ্গীর আলম রানা,মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের প্রডিউসার ফয়েজ রেজা, সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন উৎসব কমিটির সহ-সভাপতি শিক্ষক নিখিল সুত্রধর, শিক্ষক সুব্রত কুমার দাশ, শিক্ষক সজল চন্দ্র দাশ,বিধু ভুষন গোপ,মিহির লাল সরকার,তাপস বনিক, সুনীল সরকার,দিপক চন্দ্র পাল, নয়ল লাল সরকার, সজল চন্দ্র দেব,রতিশ চন্দ্র দাশ,দিপন চন্দ্র দাশ,বৌদ্ধ গোপ,নয়ন চন্দ্র দাশ,নময়মনি সরকার,হৃদয় শীল,অর্পন বনিক,রনি গোপ,অনিক সরকার প্রমূখ।