জুম্মাপাড়ায় পুরাতন ঘাঘট নদীর উপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাকোটি অবশেষে মেরামত করা হলো

243
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ঃ অবশেষে মেরামত করা হলো গাইবান্ধা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়া এলাকায় পুরাতন ঘাঘট নদীর উপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোটি। ফলে এই সাঁকোটি দিয়ে চলাচলকারী চারটি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষের মধ্যে এখন স্বস্তি ফিরেছে। বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের উদ্যোগে দিনভর এর মেরামত করেন কয়েকজন কাঠমিস্ত্রী।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি ঝুঁকিপূর্ণ এই কাঠের সাঁকোটি নিয়ে সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
গাইবান্ধা পৌরসভা কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই বছর আগে গাইবান্ধা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জুর উদ্যোগে পৌরসভার অর্থায়নে দুই লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে আর সাঁকোটি সংস্কার না করায় সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। পরে পৌর মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের নির্দেশে কাঠের সাঁকোটি মেরামত করা হয়।
এর আগে দীর্ঘদিন থেকে এই স্থানে একটি সেঁতু নির্মাণের দাবি করে আসছিল এলাকাবাসী। সেতুর বদলে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও উপকার পায় মানুষ। কাঠের সাঁকোটির পাশে একটি সেতু নির্মাণ করবে এলজিইডি। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে। তাই যাতায়াত যাতে বন্ধ না হয় সেজন্য কাঠের সাঁকোটি মেরামত করার দাবি জানিয়েছিল এলাকাবাসী। সাঁকোটি দিয়ে খুব অল্প সময়েই মানুষ জেলা শহরে প্রবেশ করতে পারে, তাই সাঁকোটি খুব গুরুত্বপূর্ণ তাদের কাছে।
সাঁকোটি দিয়ে চলাচলকারী জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন আকন্দ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোটি মেরামত করায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। এখন আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারব। যাতায়াতে আর কোনো সমস্যা হবে না।
গাইবান্ধা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোটি মেরামত করা হয়।
গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন সাংবাদিককে বলেন, কাঠের সাঁকোটির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে সেটি মেরামত করা হয়েছে। এখন স্বাচ্ছন্দ্যে মানুষ চলাচল করতে পারবে।ছবি ০১