বড়লেখায় ভূতুড়ে বিল: অবশেষে ৩৫ হাজার থেকে ৫৭৯ টাকা!

428
gb

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। মৌলভীবাজার পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির একজন গ্রাহক। ২০০৩ সালে বসত বাড়িতে একটি আবাসিক (মিটার) বিদ্যুৎ সংযোগ নেন। এরপর থেকে বিভিন্ন মাসে মাসে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে বিদ্যুৎ বিল আসতো। কিন্তু গত বছরের অক্টোবর মাসে তিনি হঠাৎ করে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির ভূতুড়ে বিলের মুখে পড়েন। তাকে অক্টোবর মাসের ৩৫ হাজার ৯ শত ১৪ টাকার একটি বিল দেওয়া হয়।

এনিয়ে গত ১৬ নভেম্বর লিখিত অভিযোগ করেন আব্দুন নূর। ১৭ নভেম্বর মিটারটি পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। কিন্তু ফল পাননি আব্দুন নূর। বিলে উল্লেখিত টাকা মওকুফ করেনি পল্লি বিদ্যুৎ। উপরন্তু মিটার সঠিক উল্লেখ করে টাকাগুলো পরিশোধের জন্য গ্রাহককে গত ২০ ডিসেম্বর চিঠি দেওয়া হয়।

এরই মাঝে ব্রেন স্টোকে মারা যান আব্দুন নূর। আব্দুন নূর মারা যাওয়ায় বিল নিয়ে আর যোগাযোগ করতে পারেননি পরিবারের লোকজন। এরই মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের বিলের সঙ্গে অক্টোবরের বকেয়া যোগ করে পল্লি বিদ্যুতের বড়লেখা জোনাল অফিসের বিল আসে।

এদিকে গত বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল সংক্রান্তে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপরই টনক নড়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) পুনরায় খুলে আনা হয় মিটার। পরীক্ষা করে জানানো হয় মিটারে যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল। যার ফলে অতিরিক্ত বিল দেওয়া হয়। পরিবর্তন করা হয় বিদ্যুৎ বিল।

ভূতুড়ে বিল ৩৫ হাজার ৯ শত ১৪ টাকা থেকে কমে ৫৭৯ টাকা হয়। পরে এই দিন গ্রাহক পরিবর্তন হওয়া ৫৭৯ টাকার বিল পরিশোধ করেন।

এ বিষয়ে বড়লেখা পল্লি বিদ্যুতের ডিজিএম সুজিত কুমার বিশ্বাস সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) মিটার খুলে আনা হয়। পুনরায় পরীক্ষা করা হয়। মিটারে ত্রুটি থাকায় এ বিল আসছিল। বিল পরিবর্তন করে ৫৭৯ টাকার নতুন বিল তৈরি করা দেওয়া হয়। গ্রাহক বিল পরিশোধ করেছেন।’