ব্রিটেনে ৪ জুলাই খুলছে আরো বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান: সরকারের দ্বৈত নীতি, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

37
gb

জিবিনিউজ 24 ডেস্ক //

৪ জুলাই ব্রিটেনের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। দীর্ঘ প্রায় ৪ মাস পর করোনাভাইরস মহামারিতে লক ডাউনের পর খুলতে যাচ্ছে প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। লক ডাউন শিথিলের শেষ পর্যায় হলেও সেই কবিতার মতো- “শেষ হয়েও হইলো না শেষ”।
প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠা খুললে ও আইনের বাধ্যবাধকতার কারনে খুলতে পারছেন না অনেকটা প্রায় একই ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে না পারায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।

উদাহরন স্বরূপ বলা যায়
১/ সিনেমা হল খুলবে। কিন্তু থিয়েটার খুলতে পারবেনা।
২/ চুল কাঁটার সেলুন খুলবে। কিন্তু নেইল পালিশ ও ম্যাসেজ শপ খুলতে পারবেনা।
৩/ পাব ও বার খুলবে । কিন্তু নাইট ক্লাব খুলবে না।
৪/ আউটডোর জিম খুলা হবে । কিন্তু ইনডোর জিম খুলা হবেনা।
৫/ সেলুন খুললেও বন্ধ থাকবে ম্যাক আপ, তাত্তু।

দি ইনস্টিটিউটশিন ফর গভর্নমেন্ট স্পোকেন পার্সন চীপ ইকোনোমিস্ট ড: জেম্মা টেটলাও বলেন, সরকার অর্থনীতিকে স্বচল করতে জনসাধারন কে হেল্থ রিক্সে ফেলে দিচ্ছে,”। সরকার বিজনেস কে সেইফ করতে সামাজিক দূরুত্ব রেখে সিনেমা হল খুললেও বন্ধ রাখছে থিয়েটার। আবার বারবার শপ খুললেও বন্ধ রাখছে তাত্তু, বিউটিপারলার, নেইল পালিশ সেই সাথে পাব বার খুললেও বন্ধ রাখা হবে নাইট ক্লাব। এ গুলি হচ্ছে সরকারের দ্বৈত নীতি,”।

উনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজের প্রফেসর ডা: সাউন ফিটজেরাল্ড বলেন,” যে সব বিজনেস মুখোমুখি হয় সেখানে ঝুকি বেশী থাকে তার মধ্যে নাইট ক্লাবে নাচের পর শ্বাস প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাবে এতে করে ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পরার সম্ভবনা বেশী”।

বৃটিশ সাইনটিস্ট ড: স্মিথ বলেন, “ সামাজিক দূরত্ব খুবই জরুরী । এক মিটার অবশ্যই দূরুত্ব থাকতে হবে। যে সব প্রতিষ্ঠানে এটা রক্ষা করতে পারবে না এবং সম্ভব নয় সে সব প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি করোনাভাইরস নিয়ন্ত্রনে না আসলে খুলা সম্ভব নয়।

তবে ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষনায় এতটাই নিশ্চিত হয়েছেন যে তারা মনে করেন করোনাভাইরস মহামারি এখন আন্ডার কন্ট্রোলে আছে। কিন্তু অন্য গবেষকরা এটা পুরোপুরি মানতে নারাজ তাদের মতে করোনাভাইরস এখনও নিয়ন্ত্রনে আসেনি। আবার অনেকে দ্বিতীয় বার ভাইরাস আসার সম্ভবনা করছেন।

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন
“আগামী ৪ঠা জুলাই থেকে মসজিদ, উপাসনালয়, রেস্টুরেন্ট , পাব , হোটেল, সিনেমা হল, লাইব্রেরি, মিউজিয়াম, গ্যালারি ও সেলুন খোলা হবে। যে কোন সাইজের এক পরিবারের সদস্যরা অন্য পরিবার পরিদর্শন করতে পারবে। তবে নিরাপত্তামূলক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তিনি আরো বলেন,” সামাজিক দূরুত্ব অবশ্যই রাখতে হবে। যে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ন ভাবে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয় সেই সব প্রতিষ্ঠান খুলতে আরো দেরী হবে”।

হেয়ার ড্রেসারের প্রায় দুই হাজার কর্মী কাজের অপেক্ষায় আছে। এ ছাড়া ও বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শ্রমিক ৪ জুলাই কাজে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আবার স্বাভাবিক ভাবে ফিরে আসবে ব্রিটেন। তবে করোনাভাইরস পুরাপুরি নিয়ন্ত্রনে না আসা পর্যন্ত যে সব প্রতিষ্ঠান খুলতে পারবেন না সেই সব মালিকরা ক্ষুব্ধ সরকারের দ্বৈত নীতি উপর।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন