চাঁপাইনবাবগঞ্জ আশ্বাস থাকলেও সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে প্রবেশ করে নি ভারতীয় ট্রাক

25
gb
2

জাকির হোসেন পিংকু,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
ভারতীয় পক্ষের লিখিত আশ্বাস থাকলেও মঙ্গলবার(২’জুন) দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর পথে প্রবেশ করেনি আমদানী পন্যবাহী কোন ভারতীয় ট্রাক। সোনামসজিদ আমদানী রপ্তানীকারক গ্রুপ সেক্রেটারী তৌফিকুর রহমান বাবু,স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন সেক্রেটারী হারুনুর রশিদ ও বন্দর কাস্টমস পরিদর্শক বুলবুল আহমেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা জানান,ঠিক কবে থেকে ভারতীয় ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করবে সে ব্যাপারেও ভারতীয়রা লিখিতভাবে নির্দিষ্ট কোন সময়সূচী জানায় নি। তবে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন,আগামী ৩ দিনের মধ্যে বন্দর চালুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তৌফিকুর রহমান বাবু বলেন,গত ৩০’মে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠির বরাতে ৩১’মে সোনামসজিদের বিপরীতে ভারতের মোহদিপুর এক্সপোটার্স এসোশিয়েশন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুর রহমান তাদের পত্র দেন। পত্রে ২’জুন থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সোনামসজিদ-মোহদিপুর পথে করোনাজনিত কারণে দীর্ঘ বন্ধের পর পূণরায় আমদানী-রপ্তানী চালুর বিষয়টি জানিয়ে এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষাসহ পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অনুরোধ করা হয়। প্রস্তাবে বাংলাদেশ পক্ষ সম্মতি জানিয়ে প্রতিপত্র প্রদান করে। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে ভারতীয়রা গাড়ি প্রবেশে অপরাগতা প্রকাশ করে।
হারুনুর রশিদ বলেন,ভারতে যারা রপ্তানী প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত তারা মঙ্গলবার সকালে নিজেদের মধ্যে ও তাদের সরকারী কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করে। কিন্তু বৈঠকে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তারা কয়েকদিনের মধ্যে বন্দর চালুর আশ্বাস দিয়েছে।
বুলবুল আহমেদ চৌধুরী বলেন,ভারতীয় রপ্তানীকারকেরা বন্দর চালুর চিঠি দিলেও তাদের কাস্টমসসহ সকল পক্ষ প্রস্তুত ছিল না। লকডাউন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মালদহ জেলা ম্যাজিষ্টেটের(ডিএম) সিদ্ধান্ত ছাড়া কবে গাড়ী প্রবেশ করবে তা বলা যাচ্ছে না। বেনাপোল,হিলিসহ পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের কোন স্থলবন্দরই চালু নেই বলেও জানান কাস্টমস পরিদর্শক বুলবুল আহমেদ ।
সোনামসজিদ বন্দর সংশ্লিস্ট অনান্য সূত্র ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাতে জানায়,চলমান করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ গাড়ী নিতে প্রস্তুত থাকলেও এবং ভারতীয় কেন্দ্র সরকারের অনুমতি থাকলেও মূলত: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আপত্তি ও বাধার কারণেই পূনরায় স্থলবন্দর চালু করার প্রক্রিয়া বারবার হোচট খাচ্ছে। ###

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন