ভিড় কমাতে শিফট ও দীর্ঘ সময় দোকান খোলা রাখা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান

60
gb
2

-মো:নাসির, বিশেষ প্রতিনিধি —  স্বাস্থ্যবিধি মেনে দীর্ঘসময় ও সপ্তাহের সবদিন দোকান খোলা রাখা। ভিড় কমাতে ক্রেতাদের জন্য বয়স অনুপাতে সময় ভাগ করাসহ কর্মচারীদের একাধিক শিফট করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। রোববার (৩১ মে) রাত সাড়ে আটটায় সামাজিক যোগাযোগে নিজস্ব টাইমলাইনে দেয়া স্ট্যাটাসে উপাচার্য এই মন্তব্য করেন।  তিনি উল্লেখ করেন, কোভিড-১৯ ভাইরাসের জীবন আছে কিনা জানি না। তবে এটা আমি নিশ্চিত করোনা ভাইরাস ধনী-গরীব, সাদা-কালো, নাস্তিক-আস্তিক কিছুই চেনে না। দিন রাতের পার্থক্যও বোঝে না। করোনা ডেঙ্গুর জীবাণু বহনকারী এডিস মশার মতো না, যা কেবল সন্ধ্যায় কামড় দেয়। করোনার আক্রমণ দিনে রাতে যে কোন সময় হতে পারে। তাহলে ‘স্বাস্থ্যবিধি’ মেনে ‘সীমিত পরিসরে’ বাজার-দোকান যদি খুলতে হয় তবে সেটা অতি অল্প সময়ের জন্য কেন? অল্প সময়ের জন্য (১০টা থেকে ৪টা ) দোকান খোলা থাকলে ক্রেতারা সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়বে এবং ভিড় বাড়বে। যদি অর্থনৈতিক কারণে এবং জীবিকার তাগিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলা রাখতে হয় তবে সেটা দীর্ঘ সময় (যেমন সকাল ৯ টা থেকে রাত ১১টা ) পর্যন্ত খোলা রাখলেই বরং বাজার বা দোকানে ‘সামাজিক দূরত্ব’ বজায় থাকবে। এক্ষেত্রে দোকানের কর্মচারীদের একাধিক সিফট করা যেতে পারে। ক্রেতাদের জন্যেও সময় ভাগ করা যেতে পারে। যেমন-যাদের বয়স পঞ্চাশের বেশি তারা দোকানে যাবেন সকাল ৯টা থেকে দুইটার মধ্যে, পঞ্চাশের কম বয়সীরা যাবেন ২ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে, যারা সপরিবারে বাজারে যাবেন তারা সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ১১ টার মধ্যে। ভিড় কমানোর জন্য সাপ্তাহিক বন্ধের দিনগুলোতেও আপাতত বাজার খোলা রাখা যেতে পারে। অর্থাৎ সপ্তাহের সব কয়দিন সবকটি মার্কেট/দোকান দীর্ঘ সময় ধরে খোলা থাকলে দোকানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ‘সামাজিক দূরত্ব’ বজায় রাখার জন্য যে নসিহত বিশেষজ্ঞরা করছেন তা প্রতিপালনে সহায়ক হবে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন