আইপিএল বাতিল হলে ভারতের ক্ষতি ৪ হাজার কোটি!

77
gb
4

জিবি নিউজ ডেস্ক ।।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সোনার ডিম পাড়া হাঁস আইপিএল। ২০০৮ সালে শুরু হওয়া বিশে^র সবচেয়ে দামী ক্রিকেট আসরটির ১৩তম সংস্করণ রয়েছে বাতিল হওয়ার শঙ্কায়। ভারতে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নেই। যদিও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। ভারত সরকার সহসাই খেলাধুলা আয়োজনের অনুমতি দিচ্ছে না। এতদিন শুধু সংবাদমাধ্যমে ঘুরেছে, বিসিসিআইয়ের কত ক্ষতি হবে যদি বাতিল হয় আইপিএলের ত্রয়োদশ আসর? প্রথমবারের মতো বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্তাদের কেউ ক্ষতির বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করলেন। বিসিসিআই কোষাধক্য অরুন ধামাল বলেন, ‘ আমরা এখনও নিশ্চিত না যে এই বছর আইপিএল আয়োজন করতে পারব কি না। আইপিএল যদি মাঠে না গড়ায় তবে বিসিসিআই বড় একটা ক্ষতির আশঙ্কা করছে।

এই ক্ষতির পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন রুপি।’ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ডাফ এন্ড ফেল্পস নামের একটি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের মতে, আইপিএলের ব্র্যান্ড ভ্যালু আইসিসির এক বছরের আয়ের চাইতেও বেশি। গত বছর আইপিএলের ব্র্যান্ড ভ্যালু ছিল ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (৫০ হাজার ৩২১ কোটি রুপি)! স্টার স্পোর্টস ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য ২২০ মিলিয়ন ডলারে ভারতীয় ক্রিকেটের টিভি স্বত্ব কিনে নেয়। ২০২০ সাল পর্যন্ত তাদের টার্গেট ছিল ৪০০ মিলিয়ন ডলার উপার্জনের। আইপিএল না হলে মিডিয়ারাইটস থেকেও চুক্তি অনুসারে অর্থ পাবে না বিসিসিআই। ভারতের অর্থনীতিতেও আইপিএল বাতিলের প্রভাব পড়বে। দেশটির অর্থনীতিতে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার অবদান রয়েছে আইপিএলের।

গত ২৯শে মার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল এবারের আইপিএল। কিন্তু সেই সময় করোনার প্রকোপে প্রাথমিকভাবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয় আইপিএল। এর পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় আইপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিপুল ক্ষতির কথা মাথায় রেখে মেগা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগকে বাতিলও ঘোষণা করেনি ভারতীয় বোর্ড। এরই মধ্যে নিজেদের দেশে আইপিএল আয়োজনে আগ্রহ দেখিয়ে বিসিসিআইকে প্রস্তাব দিয়েছে শ্রীলঙ্কা ও আরব আমিরাত। বিসিসিআই সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি আবার বাতিলও করে দেয়নি।

আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের বেতন কাটার পথে হেঁটেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের বেশিরভাগ কর্মী ছাঁটাই করেছে। বিসিসিআই অবশ্য খেলোয়াড়দের বেতন কাটার পক্ষে নয়। অরুন ধামাল বলেন, ‘আমরা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তারপর ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে একটা সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড।’

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন