এসএমএস’র মাধ্যমে অসহায় ও গৃহবন্দীদের বাড়িতে বাড়িতে সপ্তাহের বাজার পৌঁছে দিচ্ছেন কাউন্সিলর মানিক

259
gb
9

সৈয়দ নাজমুল হাসান, ঢাকা || 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেনতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য জনপ্রতিনিধির গুরু দায়িত্ব যথাযথ পালনে ব্রতি হয়ে মাঠে কাজ করছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান মানিক।

গত কয়েকদিন ধরে কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান মানিকের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে গণসচেনতা বৃদ্ধি ও জনকল্যাণমূলক  কর্মকাণ্ড স্থানিয় জনগনের কাছে বেশ প্রশংসনীয় হয়ে ওঠে।মাত্র একটি এসএমএস বদলে দিয়েছে অসহায় ও গৃহবন্দী নিম্ম আয়ের মানুষদের জীবনধারা।লাঘব করেছে দুশ্চিন্তা ও হতাশা। বাড়িয়ে দিয়েছে সচেনতা ও বেঁচে থাকার প্রয়াস এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মানসিকতা।

কাউন্সিলর মানিক গত ৮ দিন ধরে মাইকিং এ এলাকাবাসীর উদ্দেশে আহবান করে যাচ্ছেন, সরকারের নির্দেশনা মানা এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা। নিজে সচেতন হয়ে অন্যকে সচেতন করা।ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সুস্থতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অনেক ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকুন এবং  যেকোনো প্রয়োজনে ফোন অথবা এসএমএস করার কথা । এরই ধারাবাহিকতায় তিনি মধ্য রাতে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন অসহায় ও গৃহবন্দী নিম্ম আয়ের মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে । ফোন করেন ঐ মানুষটির কাছে যিনি শুধুমাত্র একটি এসএমএস করেছিলেন কাউন্সিলরের হটলাইন নাম্বারে। হাতে তুলে দেন সপ্তাহের বাজার। এভাবে সাহায্য গ্রহনকারীদের পরিচয় গোপন রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

কাউন্সিলর মানিক জিবি নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনগণের প্রতিনিধি হয়ে ২৬ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের কথা চিন্তা করে তাদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো পালন করার চেষ্টা করছি। আমি এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছি নিজের সাধ্য অনুযায়ী তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সতর্ক থাকার কারণে প্রায় সারা ঢাকাতে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে কিন্তু আমার ওয়ার্ডে কোনো দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়েনি।

তিনি জিবি নিউজকে বলেন, আমি সবসময় জনগণের প্রতিনিধি হয়ে মাঠে আছি। জনগণ বারবার আমাকে ভালবেসে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এই বিপদের সময় যদি আমি তাদের পাশে না থাকি তাহলে আল্লাহর কাছে কি নিয়ে মুখ দেখাবো। তিনি তো আমাকে জনগনের প্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি এলাকার মানুষের কাছে হট লাইনের মাধ্যমে সেবা  পৌঁছে দিচ্ছি। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যতদিন না পর্যন্ত এ মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে আমরা সক্ষম না হচ্ছি ততদিন আমি মাঠে আছি, থাকব এবং সাধ্য মতো সেবা দিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।সমাজের অনেক লোক রয়েছেন যারা  অসহায় ও নিম্ম আয়ের। তারা কারো কাছে কিছু চাইতে বা বলতে পারেননা। অথচ কষ্টে আছেন। আমি তাদের পরিচয় গোপন রেখে একান্ত গোপনে সপ্তাহের বাজার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ এবং সকল সংস্থার লোকজন কাজ করছে জনসাধারণের জন্য, সাথে আমিও আছি মানুষকে সচেতন ও সহযোগিতা করার জন্য।

এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশ মেনে চলুন, করোনা ভাইরাস এর হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘরে থাকুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশাবলী মেনে চলুন, সেনাবাহিনী ,পুলিশ এবং আমরা সমন্বয় করে কাজ করছি তাই বিনা প্রয়োজনে কেউ বাইরে যাবেন না, সবাই ঘরে থাকুন। ঘরের বাইরে বের হয়ে যদি কেউ বিব্রত অবস্থায় পড়েন  তখন আমারও করার কিছু থাকবেনা, তাই সবাই ঘরে থাকুন। নিরাপদে থাকুন।

দেশে এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি  মোকাবেলায় সরকারের পাশপাশি সমাজের বিত্তবান ও দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতার হাত আরো প্রসারিত করার জন্য  তিনি আহবান জানান।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন