রুম্পাকে ছাদ থেকে ফেলে দেন প্রেমিক সৈকত

88
gb

–জিবি নিউজ ২৪—

সিদ্ধেশ্বরীর সার্কুলার রোডে সড়ক থেকে উদ্ধার করা হয় ভার্সিটি ছাত্রী রুম্পার লাশ। তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহটা কাটে একদিন পর। বৃহস্পতিবার দুপুরে রুম্পার স্বজনরা তার লাশ শনাক্ত করেন। রুম্পা ঢাকার স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষে পড়তেন। মালিবাগের শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন ভাড়া বাসায়। তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জ জেলার একটি ফাঁড়িতে পুলিশ পরিদর্শক পদে কর্মরত। চাকরির সুবাদে রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জেই থাকেন। রুম্পার হত্যার ঘটনায় তার কথিত ছেলেবন্ধু আবদুর রহমান সৈকতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সৈকতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সন্দেহ হচ্ছে, রুম্পার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল আবদুর রহমান সৈকতের। সম্পর্কের ইতি টানতে চেয়েছিলেন সৈকত। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে সৈকত তার সহযোগীদের নিয়ে রুম্পাকে সিদ্ধেশ্বরীর সেই বাসার ছাদে নিয়ে যান। একপর্যায়ে তাকে ওই ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির রমনার জোনাল টিমের পরিদর্শক শাহ মো. আকতারুজ্জামান ইলিয়াস। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের বিষয়ে তিনি আদালতকে জানান, রুম্পা ও সৈকতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু দিন দিন তাদের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। গত ৪ ডিসেম্বর বিকেলে তারা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বাইরে দেখা করেন। তখন কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলেন সৈকত। রুম্পা বারবার অনুরোধ করলেও সৈকত সম্পর্ক রাখতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ নিয়ে দুজনের মনোমালিন্য ও বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এর জেরে ওই দিন রাত পৌনে ১১টায় সৈকত তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে রুম্পাকে ৬৪/৪ সিদ্ধেশ্বরীর বাড়ির ছাদে নিয়ে যান। একপর্যায়ে রুম্পাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। এটাই প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ কারণে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদের আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করা হয়।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More