কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ফিরোজের বিরুদ্ধে চার্জশিট

103
gb

জিবি নিউজ ২৪

অস্ত্র আইনের মামলায় কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজের বিরুদ্ধ আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-২ এর এসআই মো. জাসিম উদ্দিন খান ৭ নভেম্বর আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় চার্জশিট দাখিল করেন। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী এ চার্জশিট দেখেছেন। মামলা বিচারের লক্ষ্যে শিগগিরই চার্জশিটটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে।

অভিযোগপত্রে ফিরোজকে গ্রেফতার ও তাকে নিয়ে অভিযান এবং অভিযান-পরবর্তী ঘটনার বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। চার্জশিটে বলা হয়, আসামি ফিরোজ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করার লক্ষ্যে লাইসেন্স ছাড়া আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল ও ম্যাগাজিন) ও গোলাবারুদ (৩ রাউন্ড তাজা গুলি) নিজ হেফাজতে রেখেছেন। এতে করে তিনি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (সংশোধনী ২০০০) ১৯এ ধারার অপরাধ করেছেন।                                        

চার্জশিটে আরও বলা হয়, আসামি ফিরোজ আগে ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ক্যাসিনো ব্যবসা থেকে উপার্জিত অর্থের একটি বড় অংশ তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম সেন্টুকে দিয়েছেন। ফিরোজ দীর্ঘদিন ধরে সপরিবারে ঢাকায় বাস করেন। মাঝে মধ্যে তিনি গ্রামে যাতায়াত করতেন। তার স্বভাব-চরিত্র সন্দেহজনক। চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডি থানাধীন কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের অফিস বিল্ডিংয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং মাদকদ্রব্য হেফাজতে রেখে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় চলছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে অভিযান চালায়। এদিনই ফিরোজকে গ্রেফতার করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাউছুল আজমের নেতৃত্বে ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ক্লাবে এ অভিযান চালিয়ে অফিস কক্ষে তল্লাশি করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি ও সাতটি নীল রঙের পলিথিনে মোট ৯৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীকালে রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় তার বিরুদ্ধ অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন