কারাবন্দি সম্রাটকে শিগগিরই বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর

113
gb

–জিবি নিউজ ২৪–

ক্যাসিনো কাণ্ডে গ্রেফতার ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে খুব শিগগিরই উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) স্থানান্তর করা হচ্ছে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর পরই কারা কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে কারা বিধি অনুযায়ী বিএসএমএমইউ হাসপাতালে সম্রাটের চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিএসএমএমইউ হাসপাতালে যাওয়ার কথা রয়েছে কারা কর্মকর্তার। তিনি বিএসএমএমইউ ভিসি ও হাসপাতাল পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে সম্রাটের চিকিৎসা সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা করবেন। পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়ে ডিএমপির রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গেও কারা কর্মকর্তার দেখা করার কথা রয়েছে। জানা গেছে, চিকিৎসার পরিবেশসহ অন্যান্য বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে সম্রাটকে হাসপাতালে আনা হবে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) অস্ত্র মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনছারী এবং মাদক মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ-উর-রহমান শুনানি শেষে সম্রাটকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসার আদেশ দেন। এ সময় সম্রাটের পক্ষে তার আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হীরা উন্নত চিকিৎসার আবেদন করেন এবং শুনানিতে অংশ নেন। শুনানিতে তিনি বলেন, কারাগারে সম্রাট খুবই অসুস্থ। তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। উন্নত চিকিৎসা না পেলে তার জীবন সঙ্কটময় হতে পারে। শুনানি শেষে আদালত কারা বিধি অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসার আদেশ দেন বলে জানান রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন। ৬ অক্টোবর (রবিবার) ভোর পাঁচটার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ মদ, পিস্তল ও বন্যপ্রাণির চামড়া জব্দ করা হয়। আইন অমান্য করে বন্যপ্রাণির চামড়া রাখার দায়ে সম্রাটকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। সে দিনই রাত পৌনে ৯টার দিকে সম্রাটকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১ এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে এ সংক্রান্ত রমনা থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় সম্রাটকে একমাত্র আসামি করা হয়। মাদক মামলায় সম্রাট এবং আরমানকে আসামি করা হয়। ১৫ অক্টোবর মাদক মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র আইনের মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৪ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।